গির্জায় মুহাম্ম'দ (স.) এর কার্টুন, মৃ'ত্যুপুরী ইতালি?

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আ'লোচিত বিষয় হচ্ছে করো'নাভাই'রাস। দিনদিন এই ভাই'রাসে মৃ’তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। সারা'বিশ্বে এখন পর্যন্ত এই ভাই'রাসে মৃ’ত্যু হয়েছে ১৭ হাজার মানুষের। এরইমধ্যে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৫৯ জন ছাড়িয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ২ হাজার ৬৯ জন। ইতোমধ্যে এই ভাই'রাসে বাংলাদেশে তিনজনের মৃ’ত্যু হয়েছে। আ’ক্রান্ত হয়েছে ৩৩ জন।

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করো'নাভাই'রাসের কারণে এখন পর্যন্ত যে দেশটি সবচেয়ে ভ’য়াবহ অবস্থায় আছে, সে দেশটি হচ্ছে ইতালি। মৃ’ত্যুর মিছিল যেন কোনভাবেই থামাতে পারছে না ইতালীয় প্রশাসন। সর্বশেষ দেশটিতে প্রা’ণ হারিয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষ।এমন পরিস্থিতিতে উঠে এসেছে ইতালির আরেক ইতিহাস। অনেকে বলছেন, ওই ঘটনার কারণেই ইউরোপের এক ‘অ'ভিশপ্ত দেশ’ ইতালি। সেই অ'ভিশাপই দেশটিকে নিয়ে যাচ্ছে ধ্বং’সের দ্বারপ্রান্তে। তবে কী' সেই ইতিহাস?

রেনেসাঁ যুগে ইতালির বিখ্যাত শিল্পীদের একজন Giovanni da Modena। ঠিক ৬১০ বছর আগে নবী মুহাম্মাদ (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছিলেন এই শিল্পী। পুরনো সেই ব্যঙ্গচিত্র আজও রক্ষিত আছে ইতালির শহর বোলোগনার একটি ক্যাথলিক গির্জায়। যে ব্যঙ্গচিত্রে দেখানো হয়েছে, মহানবী (স.)-কে নি’র্যাতন করছে দোজখের রক্ষীরা (নাউজুবিল্লাহ)। ওই গির্জার নাম San Petronio Basilica। ২০০১ সালে প্রথম ইতালির মু'সলিম'রা ব্যঙ্গচিত্রটি ধ্বং’স করার দাবী তোলে। কিন্তু ইতালি সরকার সে দাবীকে পাত্তা না দিয়ে উল্টো মু'সলিম'দের দমানোর জন্য ২০০২ সালে ৫ জন মু'সলিমকে গ্রে’প্তার করে। সরকার দাবি করে, ওই গির্জায় হা’মলার পরিকল্পনা করছিলেন তারা।

ওই ঘটনার পরপরই মূলত ইউরোপে মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র নির্মাণের একটি প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ইউরোপীয় রাষ্ট্র ডেনমা'র্কের জিল্যান পোস্টেনে মহানবী (স.)-এর ১২টি ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে। এরপর ২০০৬ সালে নরওয়ে ওই কার্টুনগুলো তাদের দেশে পুনরায় প্রকাশ করে। পরে ১ ফেব্রুয়ারি ফ্রা’ন্স, জা’র্মানি, ই’তালি এবং স্পে’ন মিলে মুহাম্মাদ (স.)-এর কার্টুনগুলো আবার প্রকাশ করে। ৮ ফেব্রুয়ারি ফ্রা’ন্সের পত্রিকা শার্লি হেবদো প্রথম পাতায় বড় করে একই ধরনের ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে।