যে ৮ নিয়ম মেনে ম'সজিদে ঈদ জামাত আদায় করতে হবে

করো'না ভাই'রাস পরিস্থিতিজনিত ওজরের কারণে মু'সল্লীদের স্বাস্থ্যঝুঁ'কি বিবেচনা করে এ বছর কোন ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। সারা দেশের মতো কি'শোরগঞ্জ জে'লার ম'সজিদগুলোতে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের এক বা একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তবে নামাজ পড়ার জন্য স্বাস্থ্যবিধিসহ কিছু নিয়ম বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে। জে'লা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী এ সংক্রান্ত নিয়মগুলো অনুসরণ করে ঈদ জামাত আয়োজন ও ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

জে'লা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী এ সংক্রান্ত বি'জ্ঞপ্তিতে বলেছেন, এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, করো'না ভাই'রাস পরিস্থিতিজনিত ওজরের কারণে মু'সল্লীদের স্বাস্থ্যঝুঁ'কি বিবেচনা করে এ বছর ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানসহ কোন ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় ঈদের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে না।
ম'সজিদে নিম্নবর্ণিত নিয়ম অনুসরণপূর্বক পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজের এক বা একাধিক জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে,

১. ঈদের নামাজের জামায়াতের সময় ম'সজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের পূর্বে ম'সজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

২. ম'সজিদে অজুর স্থানে সাবান/ হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

৩. মু'সল্লিগণ নিজ বাসা/বাড়ী থেকে অজু করে নিজস্ব জায়নামাজ নিয়ে ম'সজিদে আসবেন। অজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুবেন।

৪. মু'সল্লিগণ মাস্ক পরে ম'সজিদে আসবেন এবং ম'সজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করতে পারবেন না।

৫. এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে। মু'সল্লিগণ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে কাতারে দাঁড়াবেন।

৬. শি'শু, বয়োবৃদ্ধ, অ'সুস্থ ব্যক্তি এবং অ'সুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ঈদের নামাজের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

৭. ম'সজিদে জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো যাবে না।

৮. পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজ শেষে করো'না ভাই'রাস মহামা'রি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে মু'সল্লিগণকে নিয়ে দোয়া করার জন্য খতিব ও ই'মামগণকে অনুরোধ করা হলো।