জাতীয়

বিচারকগণ বিবেকবান নয়: ডা. জাফরুল্লাহ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, জামিন আমাদের মানবিক ও আইনগত অধিকার। এটা তো আমা’রা ছাত্র জীবন থেকে খুব সহ’জ সরলভাবে বুঝে এসেছি। আজকে আমাদের মূল সমস্যা হলো বিচারকগণ বিবেকবান নয়। তারা অ’ত্যাধিকভাবে সরকার ও পু’লিশ নিয়ন্ত্রিত। সেখানে কোর্টে গেলে বলে, সরকার না বললে তো হবে না। এই জিনিসটাই আমাদের প্রধান বিচারপ্রতিকে বলেছি। তার কাছে জানতে চেয়েছি যে, এই বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা এটাই বড় অ’ত্যাচার।

শনিবার (৮ মে) দুপুরে প্রধান বিচারপ্রতির কাছে চিঠি এবং ঈদের আগেই গ্রে’প্তা’রকৃত ছাত্রদের জামিনে মুক্তির দাবিতে নাগরিক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়। গত কয়েক মাসে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মা’ম’লাসহ বিভিন্ন মা’ম’লা দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৯ জন ছাত্রকে গ্রে’প্তা’র করা হয়েছে। তারকে ঈদের আগে মুক্তি দিতে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দিয়েছে নাগরিক সমাজ।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আজকে এক মাস হয়ে গেছে এখনও মা’ম’লা উঠে না। তারপর একই ধরণের মা’ম’লা ৫টা দেওয়া আছে। তখন ৫টার জন্যই জামিন নিতে হয়। এইক্ষেত্রে প্রধান বিচারপ্রতির সুনিদিষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন। বাধ্যতামূলক নির্দেশনা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, আর কয়েকদিন পরে ঈদ। তাই আম’রা সরকারের কাছে তোও আবেদন করেছি। সেইসঙ্গে প্রধান বিচারপতিকেও বলেছি, তার যে সাংবিধানিক অধিকার ও ক্ষমতা আছে সেটাকে প্রয়োগ করে এই ছাত্রদের ঈদের পূর্বে জামিনের ব্যবস্থা করুন। এটা হচ্ছে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব, আরেকটা হলো মানবিক। মনে রাখতে হবে এই ছাত্ররাই আজকের বাংলাদেশে সৃষ্টি করেছে। তারা বাংলা ভাষার আ’ন্দোলন করেছিলো বলেই বাংলাভাষা প্রতিষ্টি হয়েছে।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আমি একটা বিষয় দুর্ভাগ্যের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে, প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন যে মাতৃভাষায় তাদের বিচারের রায়গুলো দিবেন। কিন্তু লক্ষ্য করুন কয়জনে বাংলায় রায় লিখতেছে। তার কথায় মানছেন না। তার কথা না মানা হচ্ছে বিচার ব্যবস্থা না মানা, এটা কোনও ব্যক্তির নির্দেশন নয়। আমি সঙ্গে প্রধান বিচারপতিকে তার কঠোরত দায়িত্ব পালনের আহ্বান করছি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ডা. কা’মাল হোসেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক আসিফ নজরুল, গণসংহতি আ’ন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়াদ সাকি।

 

Back to top button