জাতীয়

চেয়ারপারসনের স্থায়ী মুক্তি চেয়ে শিগগিরই আবেদন

চলতি মাসেই শেষ হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ। স্থায়ী মুক্তি চেয়ে খুব শিগগিরই আবেদন জমা দেওয়া হবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, হাসপাতাল ছাড়লেও তিনি এখনো সুস্থ নন। তাই আবারও বাড়াতে হবে মুক্তির মেয়াদ। দু’র্নী’তি দমন কমিশন-দুদক আইনজীবী বলছেন, আর মেয়াদ বাড়ানো হলে তার বি’রু’দ্ধে চলমান থাকা মা’ম’লাগুলোর বিচার নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠবে।পরিবারের আবেদনে সরকারের নির্বাহী আদেশে ২০২০ সালের ২৫ মা’র্চ সাময়িক মুক্তি পান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এরপর চার দফায় ৬ মাস করে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায় সরকার।

দুই বছরের মুক্তির এ সময়ে ১৫৯ দিন হাসপাতা’লেই ছিলেন বিএনপি নেত্রী। তিন দফায় চিকিৎসা শেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি বাসায় ফেরেন তিনি। এরপর থেকে গুলশানের ফিরোজাতেই আছেন তিনি।

লিভা’র সিরোসিসে আ’ক্রা’ন্ত বিএনপি নেত্রী এখন অনেকটাই সুস্থ। নিয়েছেন টিকার বুস্টার ডোজও। এ মাসে শেষ হচ্ছে তার মুক্তির মেয়াদ। তার আইনজীবীদের প্রত্যাশা- পরিবারের আবেদনে এবারও মুক্তির মেয়াদ বাড়াবে সরকার।অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, চেয়ারপারসন হাসপাতাল থেকে বাসায় এসেছেন বলে যে তিনি সুস্থ সেটা বলা যাবে না। তার যে শা’রীরিক সমস্যা সেটার আসলে মূল চিকিৎসা এদেশে নেই। তাকে যদি পুরোপুরি সুস্থ করতে হয় অবশ্যাই দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দিতে হবে। সময় বাড়ানো তো আছেই সঙ্গে সঙ্গে বিদেশে পাঠানোর জন্য সরকারকে বলা হবে, এমন আবেদন করা হবে।

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত হওয়ার পর তার বি’রু’দ্ধে চলমান থাকা বাকি ৩৪টি মা’ম’লার বিচারকাজ থমকে আছে।অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আবারও বাড়ানো হলে তার বি’রু’দ্ধে ঝুলে থাকা মা’ম’লার বিচার নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠবে।

দলীয় সূত্র বলছে- মেয়াদ বাড়ানো নয় স্থায়ী মুক্তি চাওয়া হবে সরকারের কাছে। খুব শিগগিরই এ আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ মা’র্চ দুই শর্তে সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের জন্য মুক্তি পান খালেদা জিয়া। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার উপধারা ১-এ সাজা স্থগিত দেখিয়ে এই পর্যন্ত চার দফায় এই মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই অনুযায়ী আগামী ২৪ মা’র্চ খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।

 

Back to top button