জাতীয়

সয়াবিন তেল মজুতের দায়ে দেড় লাখ টাকা জ’রিমানা

বাগেরহাট বাজারে সয়াবিন তেল অ’বৈ’ধভাবে মজুতের দায়ে দুই দোকানিকে দেড় লাখ টাকা জ’রিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আ’দা’লত।

বুধবার (৯ মা’র্চ) দুপুরে বাগেরহাট শহরের বড় বাজারের দুটি দোকানে গোডাউনে অ’ভিযান চালিয়ে জে’লা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আ’দা’লত ওই জ’রিমানা করেন।জে’লা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্ম’দ মোজাহেরুল হক ও রোহান সরকার ওই অ’ভিযান পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আ’দা’লতের অ’ভিযানকালে বাজারের পল্টু সাধু স্টোর ও জয় মা স্টোরের গোডাউনে বিভিন্ন বোতল ও ড্রামে ৪ হাজার লিটার সয়াবিন তেলের অ’বৈ’ধ মজুত পাওয়া যায়। অ’বৈ’ধভাবে ভোজ্যতেল তেলের মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির দায়ে পল্টু সাধু স্টোরের মালিক শ্রিধাম সাধুকে ১ লাখ এবং জয় মা স্টোরের মালিক সংকর কুমা’র পালকে ৫০ হাজার টাকা জ’রিমানা করা হয়। উভয় জ’রিমানার অর্থ পরিশোধ করেছেন।

ভ্রাম্যমাণ আ’দা’লতের বিচারক মোহাম্ম’দ মোজাহেরুল হক বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছিল। বাগেরহাটে কয়েক জন ব্যবসায়ীর বি’রু’দ্ধে এমন কিছু সুনির্দিষ্ট অ’ভিযোগ ছিল। যার ভিত্তিতে বাজারের ২টি দোকানে আম’রা অ’ভিযান পরিচালনা করি। এ সময় আরও এক দোকানি দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়।

অ’ভিযানে পল্টু সাধু স্টোর ও জয় মা স্টোরের অ’ভিযোগের সত্যতা পাই। তারা অ’তিরিক্ত মজুত করে রেখেছিল, দোকানগুলো মূল্য তালিকাও দেখাতে পারেনি। গোডাউনে খালি ড্রামের আড়ালে কার্টনকে কার্টন সয়াবিন তেল মজুত করে রেখেছিল। তারা আমাদের কাছে যে মূল্য রসিদ ও তালিকা দেয়, তাদের কাছে এর চেয়েও অ’তিরিক্ত তেলের মজুত ছিল।

অ’ভিযানকালে তারা আ’দা’লতের কাছে অ’ভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে। পরে আ’দা’লত তাদের দুজনকে মোট দেড় লাখ টাকা জ’রিমানা করেন। সুনির্দিষ্ট অ’ভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের এই অ’ভিযান চলমান থাকবে।

Back to top button