জাতীয়

আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে দুপক্ষের সং’ঘ’র্ষ, আ’হত ১০

সং’ঘ’র্ষের কারণে অবশেষে ভণ্ডুল হয়ে গেল সাতক্ষীরা জে’লা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই জে’লা ম্যাজিস্ট্রেট মো. হু’মায়ূন কবির ভোটগ্রহণ স্থগিত করার নির্দেশ দেন। এর পর একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পু’লিশ সমুদয় ব্যালট পেপার ও ভোট বাক্স জ’ব্দ করে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ভোটের বিষয়ে আইনজীবীদের একাধিক গ্রুপ সংঘাত সং’ঘ’র্ষে লিপ্ত হয়। ধাক্কাধাক্কি, মা’রামা’রি, কিল চড়, ঘুষি এবং ভাঙচুরের ফলে জে’লা আইনজীবী সমিতি ভবন ও চত্বর যেন এক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পু’লিশ হাঙ্গামা বন্ধের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

এসব ঘটনায় জে’লা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ আলমসহ কমপক্ষে ১০ আইনজীবী আ’হত হন বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন। পুরো আ’দা’লত চত্বরজুড়ে তীব্র উ’ত্তে’জ’না ছড়িয়ে পড়ে।

আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, আবুল হোসেন ও রেজোয়ানুল্লাহ্ সবুজ নেতৃত্বাধীন জে’লা আইনজীবী সমিতির কমিটির মেয়াদ ২৭ জানুয়ারি শেষ হওয়ার পর নতুন নির্বাচন নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। বিভক্ত আইনজীবীরা পৃথকভাবে ভোটগ্রহণের জন্য দুটি পৃথক কমিশন গঠন করে নির্বাচনের জন্য পৃথক দিন নির্ধারণ করেন।

এতে সংঘাতের আশ’ঙ্কায় সাতক্ষীরা সদর ও তালা কলারোয়া আসনের দুজন সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ও মু’স্তফা লুৎফুল্লাহ আইনজীবীদের নিয়ে আলোচনায় বসেন। পরে তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণের কথা ঘোষণা করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট নুরুল আলমকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে ছয় সদস্যের কমিশন ভোটগ্রহণ শুরু করে।

জে’লা ম্যাজিস্ট্রেট মো. হু’মায়ূন কবির জানান, সকালে সং’ঘ’র্ষের সূত্রপাত ঘটে। বিভক্ত আইনজীবীরা মা’রামা’রি ও হাতাহাতিতে লিপ্ত হন। এর পরই ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

Back to top button