জাতীয়

ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে নতুন করে যা জানা গেল

নতুন করে বাড়েনি ভোজ্যতেলের দাম। এর বাইরে বাজারে আর কোনো স্বস্তির খবর নেই। আটা, লবণ, মসুর ও ছোলার দামে উ’ত্তা’প বেড়েছে। ৫০ টাকার কমে মিলছে না চাল। ক্রয়ক্ষমতা কমছে সীমিত আয়ের মানুষের।

পাইকারি বাজারে ছোলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭৫ টাকা, ২ কেজি প্যাকেট আটা ৮৫-৯২ টাকা, চিনি ৮০ টাকা, মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকায়।

রোজা সামনে রেখে পণ্যক্রয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, অন্য সময়ের চেয়ে বাজারে ক্রেতা কম। তাই বিক্রিও কম।

এদিকে সবজির বাজার পরিদর্শন করে দেখা যায়, বিচিযু’ক্ত শিম গত সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বিচি ছাড়া শিম ৪০-৪৫ টাকা, কয়েক সপ্তাহ আগে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া আলু এখন ২০ টাকা। রোজার শুরুর আগেই কাঁচা ম’রিচ ও ধনেপাতা পৌঁছেছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকায়। টমেটো মান অনুযায়ী ৪০-৫০ টাকা কেজি, মান ও আকার অনুযায়ী বেগুন কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে গত সপ্তাহে মাঝারি সাইজের লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা করে বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে, লেবুর হালি ৪০-৫০ টাকায় পৌঁছেছে। ফুলকপি প্রতিটি ৫০ টাকা, বরবটি মান অনুযায়ী ৮০-১২০ টাকা কেজি, ঝিঙ্গা কেজিপ্রতি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা কেজি, উস্তের কেজি ১২০ টাকা, শসা কেজিপ্রতি ৬০ ও করলা ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া কাঁচকলা হালিপ্রতি ৪০ টাকা, একমুঠো লাল ও পালংশাক ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে গরুর মাংস আগে কেজিপ্রতি ৫৮০ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা করে। খাসির মাংসও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। কেজিপ্রতি ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা। পা’কিস্তানি কক বা সোনালি মুরগি কেজিপ্রতি ৩২০, বড় লাল মুরগি ২৫০, ব্রয়লার কেজিপ্রতি ১৬০-২৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে টিসিবির ট্রাক থেকে কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে নিম্ন আয়ের মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

Back to top button