জাতীয়

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে দেশে মানবিক সংকট

দেশে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে বিপাকে সাধারণ মানুষ, রয়েছে মানবিক সংকট।সারা দেশের ন্যায় ফরিদপুরে ও দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে বিপাকে ক্রেতারা। দিন দিন দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে চরম বিপাকে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তরা।

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কিন্তু আয় বাড়ছে না বিধায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। অনেকের দাবী দেশের অর্থনীতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং পুঁজিবাদী ব্যবসায়ীরা অস্থিতিশীল করছে দেশের অর্থনীতি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে এখনই সরকার কঠোর অবস্থানে না থাকলে দেশের অর্থনীতি আরও ভেঙ্গে পড়তে পারে।

এদিকে মোঃ আলাউদ্দিন শেক নামে এক ব্যক্তি বিডি২৪ লাইভ কে বলেন, আম’রা স্বল্প আয়ের মানুষ চরম দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছি। দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়লেও, বাড়ছে না আয়। সমাজের অসহায় ও দুস্থদের মানুষ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করলেও, আম’রা কারও কাছে আমাদের অ’সুবিধার কথা বলতেও পারি না।

তবে আম’রাও দুস্থ ও অসহায় মানুষের থেকে খুব বেশি ভালো নেই। রবিবার (১৩ মা’র্চ) ফরিদপুর সদর উপজে’লার বিভিন্ন এলাকায় ও পার্শ্ববর্তী উপজে’লায় দেখা যায় দ্রব্যমূল্যের একই চিত্র। ইতোমধ্যে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে ফরিদপুরে বিভিন্ন উপজে’লায় ভ্রাম্যমাণ আ’দা’লত জ’রিমানা করলেও তা সাময়িক সমাধান হয়েছে। তবে কিছু ব্যবসায়ীরা এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ইচ্ছামত দামে বিক্রি করছে তেল।

ফরিদপুর সদর উপজে’লার হাজি শরীয়তুল্লাহ্ বাজারে মিনিকেট চাউল মিনিকেট প্রতিকেজি ৬৫ টাকা, মু’সুর ডাল প্রতিকেজি ১২০ টাকা, সয়াবিন তেল প্রতি ৫ লিটারের ক্যান ৮৫০ টাকা , চিনি প্রতিকেজি ৮০ টাকা , আটা প্রতিকেজি ৪০ টাকা , ব্রয়লার মুরগী প্রতিকেজি ১৬০ টাকা , সোনালী মুরগী প্রতিকেজি ২৬০ টাকা , আলু প্রতিকেজি ২০ টাকা, বেগুন প্রতিকেজি ৫০ টাকা, করোলা প্রতিকেজি ৭০ টাকা, পেপে প্রতিকেজি ২৫ টাকা , শিম প্রতিকেজি ৪০ টাকা , বাঁ’ধাকপি প্রতিকেজি ২০ টাকা , গাঁজর প্রতিকেজি ৩০ টাকা , পেঁয়াজ প্রতিকেজি ৫০ টাকা, ফুলকপি প্রতিকেজি ৩০ টাকা, টমেটো প্রতিকেজি ৪০ টাকা, শশা প্রতিকেজি ৫০ টাকা , কাঁচা ম’রিচ প্রতিকেজি ৫০ টাকা।

Back to top button