জাতীয়

হাদিসুরের কবরে মা’থা ঠুকছেন বাবা, হাজারো মানুষের চোখে জল

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ পড়িয়েছেন হাদিসুরের চাচা মা’ওলানা মনিরুল ই’স’লা’ম।মা আ’মেনা বেগম চি’ৎ’কার দিয়ে বলছে, ‘বাবাগো বাবা, ও হাদিস বাবা তুই একবার মা বলে ডাক দে। বাবা আর মা বলে ডাক দিবে না। ‘ এক সময় আহাজারি দিতে দিতে অ’জ্ঞা’ন হারিয়ে ফেলে আ’মেনা বেগম। বিকেলে পরিবারের স্বজনদের এমন আহাজারি দেখা যায় হাদিসুরের কবরের পাশে।

বাবা মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার হাদিসুরের বারবার মুর্ছা যেতে যেতে বলছেন, ‘বাবা ও বাবা, ও হাদিস বাবা একবার বুকে আয় বাবা। মোরে ওষুধ কিনে কে দিবে। তোর কবরে মোরেও নে বাবা’। এই বলে বারবার ছে’লে কবরে মা’থা ঠেকাচ্ছে।

এ সময় মানুষের ঢল নামে। জানাজার পূর্ব মুহূর্তে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, ‘প্রকৌশলী হাদিসুরের আম’রা শোকাহত। সরকার ও আওয়ামী লীগে নেতৃবৃন্দ সবসময় হাদিসুরের পরিবারের পাশে থাকবে। ‘ এ সময় এক লাখ টাকার চেক দিয়ে পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করেন।

হাদিসুর রহমান আরিফের জানাজায় জিএম ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ান বলেন, ‘২ মা’র্চ বিকেলে রকেট হা’ম’লায়া নি’হ’ত হয়। ঘটনার কিছু সময় পূর্বে হাদিসুর রহমান আসরের নামাজ পড়ে। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার জন্য জাহাজের উপরে চলে আসে। কথা বলার কিছুক্ষণ পরেই রকেট হা’ম’লায় নি’হ’ত হয়। ’

জানাজা শেষে দাদা আতাহার উদ্দিন হাওলাদার ও দাদি মোসা. রোকেয়া বেগমের কবরের পাশে দাফন করা হয় হাদিসুরকে। এর আগে, গতকাল সোমবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে হাদিসুরের লা’শবাহী টার্কিশ এয়ারের ফ্লাইটটি হযরত শাহ’জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তার লা’শ বাড়িতে পৌঁছায় রাত ৯টা ৪০ মিনিটে।

 

Back to top button