জাতীয়

শবে বরাত: পাপ থেকে মুক্তির আশায় মশগুল মু’সল্লিরা

পবিত্র শবে বরাতে আল্লাহ তায়ালার নৈকট্যলাভ ও পাপ থেকে মুক্তির আশায় ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল ধ’র্মপ্রা’ণ মু’সল্লিরা। ম’স’জিদে ম’স’জিদে চলছে দোয়া দরূদ ও জিকির আসগার। জুমা’র দিনে ভাগ্য রজনীতে নিজেদের সপে দিয়েছেন ধ’র্মপ্রা’ণ মানুষ।

পাপ থেকে মুক্তি, শান্তি ও কল্যাণ কা’মনার ইবাদত। সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায়ে লাখো মু’সল্লি। শুক্রবার (১৮ মা’র্চ) জুমা’র নামাজ আদায়, কয়েক ঘণ্টা পরই বরকতময় রজনী। তাই আগে ভাগেই দূর দূরান্তের মু’সল্লিরা ভিড় করেন জাতীয় ম’স’জিদ বায়তুল মোকাররমে।

এক মু’সল্লি বলেন, আমি এসেছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে। সারা রাত জেগে ইবাদত বন্দেগি করব। আরও অনেকেই বলেন, শবে বরাত উপলক্ষে অনেক দূর থেকে এসেছি। সারা রাত এখানে থাকব। সবার জন্যই দোয়া করছি, যেন সবাই সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন।জুমা’র নামাজে দেশ ও জাতির কল্যাণ কা’মনায় দোয়া করা হয়।

হিজ’রি শাবান মাসের ১৪ ও ১৫ তারিখের মধ্যবর্তী রাত শবে বরাত। পবিত্র কোরআনে এই রাতকে ‘লাইলাতুন মুবারাকাতুন’ বলা হয়েছে। এ রাতে রাসুলুল্লাহ ইবাদত বন্দেগিতে মশগুল থাকতেন, তাই তার উম্মতদেরও এ পথ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

মু’সল্লিরা বলেন, সারা রাত ইবাদত বন্দেগিতে কা’টাব। আল্লাহর কাছে মাফ চাইব যেন অ’তীতের গুনাহ মাফ করে ভবিষ্যতে ভালো’ভাবে চলতে পারি।বায়তুল মোকাররম জাতীয় ম’স’জিদের পেশ ই’মাম হাফেজ মা’ওলানা মুফতি মুহিউদ্দিন কাসেম বলেন, রাসুল বলেছেন, এ রাতে ইবাদত করতে। পরবর্তী দিনে রোজা রাখবে। রাসুল বলেছেন, এ রাতে আল্লাহ তার বন্দাদের প্রতি মনোযোগী হন। এবং বিভিন্ন ভাষায় বান্দাদের আহ্বান করতে থাকেন যে আছেন কি কোনো ক্ষমাপ্রত্যাশী ব্যক্তি, আমি আল্লাহ ক্ষমা করে দেবো।এদিকে শবে বরাত ঘিরে দেশজুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

Back to top button