জাতীয়

ভবন নির্মাণে ২০২৫ সালের পর আর পোড়ানো ইট নয়

আজ পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ভবন নির্মাণে ইটের পরিবর্তে বালু, সিমেন্ট ও নুড়ি পাথরের ব্লক ব্যবহার বাড়াতে হবে। এটি পরিবেশবান্ধব ও ব্লকের তৈরি ভবন ভূমিকম্প সহনীয়। এতে নির্মাণ ব্যয়ও কম। সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রকল্পে ইটের বদলে ব্লক ব্যবহার করতে হবে। ২০২৫ সালের পর আর পোড়ানো ইট নয় ব্লকে যেতে হবে।

আজ রবিবার ২০ মা’র্চ রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে ‘উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় জাতীয় অ’ভিযোজন পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্তিকরণ’ বিষয়ক এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ২০১৯-২০ সালে পোড়ানো ইটের ব্যবহার ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। নানা উন্নয়ন প্রকল্পেও ইটের বদলে ব্লক ব্যবহার হচ্ছে। তবে ২০২৪-২৫ সালে গিয়ে ইটের বদলে শতভাগ ব্লকে চলে আসবো। এরপর আর ইট ব্যবহার করা হবে না। অনেক সচিব বলেন- এটা কেউ মানছে না। যারা নির্মাণ কাজ করে বিশেষ করে সড়ক ও জনপথ, গণপূর্ত, এলজিইডি তাদেরও ব্লক ব্যবহার করতে হবে।

এম এ মান্নান আরও বলেন, আমা’রা নির্মাণ বলতেই ইটের ব্যবহার বুঝি। গানে কবিতায় ইট পাথরের শহর বলে থাকি। ইট আমাদের অ’তি পরিচিত শব্দ। তবে পরিবেশ বাঁ’চাতে ইটের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। এ নির্দেশনা আমাদের মানতে হবে।

তিনি বলেন, আম’রা ইট পুড়িয়ে ব্যবহার করি। এটা দূষণের অন্যতম উৎস। উন্নত দেশগুলো ইট পুড়িয়ে ব্যবহার করে না। তারা দূষণের উৎস ব্যবহার করে না। এশীয় অঞ্চলের জা’পানেও ইট পুড়িয়ে ব্যবহার করে না। অনেকে বলে আমাদের প্রতিবেশীদের খবর কী? ভা’রত, পা’কিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কাও পর্যায়ক্রমে পোড়ানো ইট ব্যবহার থেকে সরে যাচ্ছে। এসব দেশ অনেক এগিয়ে গেছে। ইট পোড়ানো বন্ধ হলে দূষণ থেকে রক্ষা পাবো। সেই বিবেচনায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সরকার একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

Back to top button