জাতীয়

টিসিবির বিশেষ কার্ডে সাবেক কাউন্সিলর-ভাজিতার নাম, পরে বাতিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে কম দামে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। রোববার (২০ মা’র্চ) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জে’লার ৮৪ হাজার ৩৪৭ জন বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে এ সুবিধা পাচ্ছেন। তবে স্বল্প আয়ের মানুষের এ তালিকায় পৌরসভা’র সাবেক এক কাউন্সিলর ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তিনটি কার্ড বাতিল করেছে প্রশাসন।

সোমবার (২১ মা’র্চ) রাতে সদর উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মো. ইয়ামিন হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জে’লা প্রশাসন ও উপজে’লা প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ক’রো’না মহামা’রির প্রথম’দিকে প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র ও অসহায়দের মোবাইলের মাধ্যমে আড়াই হাজার টাকা প্রদান করেন। ওই তালিকায় অনেক জনপ্রতিনিধি তাদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের নাম দিয়েছিলেন। যাদের বি’রু’দ্ধে অ’ভিযোগ উঠেছিল তাদের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

সে সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা’র ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন মুরাদ খান। সে তালিকায় মোবাইল নম্বর ছিল কাউন্সিলর মুরাদ খান, তার ভাতিজা সেলিম খান ও হিমেল খানের। অথচ ওই তালিকায় নামগুলো ভিন্ন ভিন্ন দেওয়া ছিল। তাই এতদিন কারো নজরে বিষয়টি আসেনি।

প্রধানমন্ত্রীর আড়াই হাজার টাকা উপহারের তালিকার সঙ্গে নতুন আর কিছু নাম যু’ক্ত করে বিশেষ কার্ড করে টিসিবির পণ্য দেওয়া হচ্ছে। ওই কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিতরণ শুরু হলে মোবাইল নম্বর দেখে সাবেক কাউন্সিলর মুরাদ খান ও তার পরিবারের সদস্যদের বরাদ্দ করা কার্ডগুলো নজরে আসে। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। পরে কার্ডগুলো বাতিল করে দেন সদর উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা (ইউএনও) মো. ইয়ামিন হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘জে’লা প্রশাসকের নির্দেশে সাবেক কাউন্সিলর মুরাদ খানের পরিবারের জন্য বরাদ্দ তিনটি টিসিবির বিশেষ কার্ড বাতিল করা হয়েছে। অ’ভিযোগ ওঠার পর তাদের কার্ড দেওয়া হয়নি। তাদের জায়গায় নতুন তিনজন সুবিধাভোগীকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

জানতে চাইলে সাবেক পৌর কাউন্সিলর মুরাদ খান জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘এ তালিকায় আমা’র ও আমা’র ভাতিজাদের মোবাইল নম্বর কীভাবে ঢুকলো বা কে ঢুকালো তা আমি জানি না। কার্ড বাতিলের বিষয়টিও আমা’র জানা নেই।’

Back to top button