জাতীয়

বাংলাদেশকে এখন কেউ গরিব দেশ বলছে না

দোহারের জয়পাড়া বড় মাঠে আয়োজিত ‘জয় বাংলা’ উৎসবে প্রধান অ’তিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে এখন কেউ গরিব দেশ বলছে না। আমাদের মা’থাপিছু আয় এখন ভা’রতের চেয়েও বেশি। এটা সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার সুশাসনের কারণে।

স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযু’দ্ধের মূল উদ্দীপক স্লোগান ‘জয় বাংলা’ এখন জাতীয় স্লোগান। স্বাধীনতার মাসে স্লোগানটির এমন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি উদযাপন করতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জয় বাংলা উৎসব’। সম্প্রতি এ উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার এ উৎসবের আয়োজন করা হয় দোহারে।

মঙ্গলবার উৎসবে উপস্থিত ছিলেন— দোহার উপজে’লা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র অধিদফতরের সাবেক প্রধান চিত্রগ্রাহক, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের সংরক্ষণকারী, একুশে পদকপ্রাপ্ত আমজাদ আলী।উৎসবে দোহার উপজে’লা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, ‘শ্রেষ্ঠ উপজে’লা হিসেবে, শ্রেষ্ঠ সংসদীয় আসন হিসেবে সালমান এফ রহমান এ এলাকাকে গড়ে তুলছেন। ক’রো’না মহামাহারির সময় অক্লান্ত চেষ্টা করেছেন— এলাকার জনগণ যেন আ’ক্রা’ন্ত না হন। আ’ক্রা’ন্তদের সুস্থতায় তিনি সবসময় সচেষ্ট ছিলেন। পদ্মা’র ভাঙন থেকে আমাদের রক্ষা করতে বাঁধ স্থাপনসহ একের পর এক উন্নয়নমূলক কর্মকা’ণ্ড করছেন তিনি। জয় বাংলা স্লোগানকে জাতীয় স্লোগানে প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকার জন্য আম’রা গর্বিত।’

তার বক্তব্যের পর সংবর্ধনা দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধুর সাতই মা’র্চের ভাষণের সংরক্ষণকারী দোহারের সন্তান আমজাদ আলীকে। সালমান এফ রহমান তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।

প্রতিক্রিয়ায় আমজাদ আলী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাষণ আমি রেকর্ড করি এবং জীবনবাজি রেখে তা সংরক্ষণ করে এই দোহারের মজিদ দারোগার বাড়িতে সংরক্ষণ করি। ওইদিন যদি আম’রা ভাষণটি সংরক্ষণ না করতাম, তাহলে নতুন প্রজন্ম কিছুই বুঝতে পারতো না— বঙ্গবন্ধু কী বলেছিলেন, কী করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু এমন কিছু বাকি রাখেননি বলার, যা যা বলা দরকার সবই বলে গেছেন। এমন একটি বড় আয়োজনে আমাকে সম্মানিত করায় ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

উৎসবে সালমান এফ রহমান তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর সাতই মা’র্চের ভাষণ ও জয় বাংলার গুরুত্ব স’ম্প’র্কে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমি কথা দিয়েছিলাম দোহার-নবাবগঞ্জকে বাংলাদেশের মডেল উপজে’লায় পরিণত করবো। ইনশাল্লাহ, সেদিকেই আম’রা কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। নতুন প্রজন্মকে বলতে চাই— বাংলাদেশ আজ যে অবস্থানে এসেছে, তার কারণ দেশটা স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করার পর মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছেন। একটা যু’দ্ধ বি’ধ্ব’স্ত দেশকে তিনি যখন ঠিক করছিলেন, তখন তাকে আম’রা হারালাম।’

তিনি বলেন, ‘তারপর দীর্ঘ ২১ বছর যারা দেশ পরিচালনা করেছেন, আম’রা যে গরিব দেশ, সারা জীবন গরিব থাকবো, সেভাবেই দেশ পরিচালনা করেছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর দেশটা আবার পরিবর্তনের দিকে গেলেন। আজ বাংলাদেশকে কেউ গরিব দেশ বলছে না। আমাদের মা’থাপিছু আয় ভা’রতের চেয়েও বেশি। এটা সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার সুশাসনের কারণে।’

Back to top button