জাতীয়

সিলেটে বিএনপির প্রার্থী তালিকায় রইল বাকি ৯

সিলেট জে’লা বিএনপির কাউন্সিলের প্রার্থী তালিকা ক্রমেই সংক্ষিপ্ত হচ্ছে। ১৩ প্রার্থীর মধ্যে এখন আছেন ৯ জন। মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৪ নেতা এখন আর প্রার্থী তালিকায় নেই। এনিয়ে আতংক, ক্ষোভ বিরাজ করছে জে’লা কাউন্সিলে বঞ্চিত প্রার্থীদের মধ্যে।

তবে দলের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আব্দুল গফ্ফার যুগান্তরকে বলেন, প্রার্থী তালিকা আর ছোট হওয়ার কোনো আশংকা নেই।তিনি জানান, স্থগিত রাখা কাউন্সিল মা’র্চের মধ্যেই আয়োজনের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত।

দলের ক্ষুব্ধ নেতারা জানান, জে’লা বিএনপির কাউন্সিল আয়োজনের পর শুরু হওয়া নানা নাট’কীয়তা এখনও চলছে। জে’লা বিএনপির সভাপতি প্রার্থী সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে মনোনয়ন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হয়েছে। শেষ পর্যায়ে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী কা’ম’রুল হাসান শাহীন ও শাকিল মোর্শেদের।

এর আগে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বাদ দেয়া হয় আব্দুল আহাদ খান জামালকে। ধাপে ধাপে প্রার্থী যাচাই-বাছাই, জো’র করে প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের বাধ্য করার দলের বিভক্তিকে আরও দ্রুত প্রসারিত করছে বলে মন্তব্য করেন তারা। শুধু তাই নয়, এমন অযাচিত হস্তক্ষেপে দলের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পর আস্থা কমছে নেতাকর্মীদের।

মনোনয়ন জমাদানকারী ১৩ জনের মধ্যে গত মঙ্গলবার মনোনয়ন ফরম ও ভোটার তালিকা যাচাই-বাছাই শেষে সভাপতি পদে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ও আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সাধারণ সম্পাদক পদে আ. ফ. ম কা’মাল, আলী আহম’দ, অ্যাডভোকেট এম’রান আহম’দ চৌধুরী ও মো. আবদুল মান্নান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এম মুজিবুর রহমান মুজিব, লোকমান আহম’দ ও মো. শামিম আহম’দ এই ৯ জনকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়া কা’ম’রুল হাসান চৌধুরী শাহীন বলেন, আমি বিএনপির সঙ্গে জ’ড়ি’ত, তবুও মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। খতিয়ে দেখার জন্য চিঠি দিয়েছি।সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মনোনয়ন বাতিল হওয়া শাকিল মোর্শেদ বলেন, দীর্ঘদিন ছাত্রদলের নেতৃত্ব দেয়া, মা’ম’লায় হ’য়’রানি ও কারাব’ন্দি থাকলেও দলের এমন অবমূল্যায়ন হতাশাজনক।

এদিকে জে’লা বিএনপির সভাপতি প্রার্থী আবুল কাহের চৌধুরী শামীম অ’সুস্থ। মঙ্গলবার বিকালে তাকে দেখতে যান একই পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হওয়া সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

Back to top button