জাতীয়

শহিদ মিনারে জুতা পায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা!

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজে’লায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার মঞ্চ করা হয়েছিল শহিদ মিনারে।

শনিবার বেলা ১১টায় উপজে’লা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অ’তিথিরা ছিলেন জুতা পরেই। মুক্তিযোদ্ধাদের পায়েও ছিল জুতা। এ ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে।সংবর্ধনার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ছবিতে দেখা যায়, শহিদ মিনারের বেদিতে তৈরি মঞ্চে উপজে’লা প্রশাসন আয়োজিত সংবর্ধনায় উপজে’লা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ই’স’লা’ম, নির্বাহী কর্মক’র্তা নাহিদা পারভীন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ই’স’লা’ম কমান্ডারসহ বাসাইল উপজে’লার বিশেষ ব্যক্তিরা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর মিয়া বীরপ্রতীকের হাতে সংবর্ধনার ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন। এ সময় পায়ে জুতা নিয়েই অ’তিথিরা মঞ্চে উঠে ক্রেস্ট দিচ্ছেন এবং সংবর্ধিত মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর বীরপ্রতীক নিজের পায়ে জুতা নিয়েই বেদিতে উঠেছেন এবং অ’তিথিদের হাত থেকে ক্রেস্ট নিচ্ছেন।

এ সংক্রান্ত ছবি বাসাইলের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।এ বিষয়ে আব্দুল গফুর বীরপ্রতীক বলেন, সংবর্ধনা মঞ্চে সব অ’তিথিরাই জুতা পায়ে ছিলেন। আমা’র নাম ডা’কায় আমিও তাদের সঙ্গে মঞ্চে উঠে যাই। ঘটনাটি অ’তি দুঃখজনক।

এ বিষয়ে বাসাইল জোবেদা রোবেয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মশিউর রহমান আপেল বলেন, শহিদ মিনার একটি সম্মানের জায়গা। এ জায়গার সম্মান রক্ষা করাটা প্রত্যেকের বিবেক ও শিক্ষা। যদি কেউ সেটি না করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে হবে।

জে’লা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার জহুরুল হক ডিপটি বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, ক’ষ্টদায়ক ও অ’প্রত্যাশিত। দিকনির্দেশক প্রশাসনের ক’র্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে এটি অ’প্রত্যাশিত। বিষয়টি নিয়ে আমি জে’লা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলব।

বাসাইল উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা নাহিদা পারভীনের অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Back to top button