আন্তর্জাতিক

ই’রানের হু’মকি রোধে যু’ক্তরাষ্ট্র ও আরব মিত্রদের সাথে বৈঠক ই’স’রাইলের

ই’রানের হু’মকি রোধে যু’ক্তরাষ্ট্র, মিসর, সংযু’ক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও ম’রক্কোর সাথে দুই দিনের এক বৈঠক শেষ করেছে ই’স’রাইল। সোমবার ই’স’রাইলের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাগেভ ম’রুভূমিতে এক অবকাশ কেন্দ্রে আয়োজিত এই বৈঠক সমাপ্ত করা হয়।

এর আগে রোববার এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে ই’স’রাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ায়ির লাপিদ, যু’ক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন, সংযু’ক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান, বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রশিদ আল-জায়ানি, মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ শুকরি ও ম’রক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা নিজ-নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ইয়ায়ির লাপিদ বলেন, ‘নতুন এই কাঠামো- যা আম’রা সমন্বিতভাবে গড়ে তুলেছি, আমাদের সাধারণ শত্রু ই’রান ও তার সম’র্থনপুষ্টদের ভীত ও নিরুৎসাহিত করবে।’

বৈঠকে ই’স’রাইল ও আরব দেশগুলোর পক্ষ থেকে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ই’রানের সাথে চলমান পারমানবিক সমঝোতায় আলোচনার বিষয়ে শ’ঙ্কা প্রকাশ করা হয়। তারা দাবি করে, এর ফলে ই’রান ও তার সম’র্থিত সশস্ত্র দলগুলো শক্তিশালী হয়ে উঠবে।পাশাপাশি বৈঠকে ই’স’রাইল-ফি’লি’স্তিন শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কথা বলেন আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামিহ শুকরি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ই’স’রাইলি-ফি’লি’স্তিনি শান্তি প্রক্রিয়ার গুরুত্ব, বিশ্বা’সযোগ্যত্যা রক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের কার্যকারিতা স’ম্প’র্কে আম’রা আলোচনা করেছি।’

সংবাদ সম্মেলনে মা’র্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, ‘ কয়েক বছর আগেও এই ধরনের সমাবেশ অসম্ভব বলে বিবেচনা করা হতো।’তিনি বলেন, ‘যু’ক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চল ও তার বাইরের অবস্থাকে পরিবর্তনের চেষ্টায় জো’রালো সম’র্থন দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।’

এদিকে বৈঠকে জর্দানকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও দেশটি তা প্রত্যাখ্যান করে। এর পরিবর্তে জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ ই’স’রাইল অধিকৃত ফি’লি’স্তিনি ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে সফর করেন।

আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম মিসর ১৯৭৯ সালে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মাধ্যমে ই’স’রাইলের সাথে কূটনৈতিক স’ম্প’র্ক প্রতিষ্ঠা করে। পরে ১৯৯৩ সালে ফি’লি’স্তিনিদের সাথে ই’স’রাইলিদের অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১৯৯৪ সালে জর্দান ই’স’রাইলের সাথে কূটননৈতিক স’ম্প’র্ক প্রতিষ্ঠা করে।

২০২০ সালে তৎকালীন মা’র্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা’ম্পের মধ্যস্থতায় ই’স’রাইলের সাথে কূটনৈতিক স’ম্প’র্ক প্রতিষ্ঠায় চুক্তি করে সংযু’ক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। পরে এই চুক্তিতে ম’রক্কো ও সুদানও যোগ দেয়। ইবরাহীমি তিন ধ’র্মের (মু’সলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদি) লোক চুক্তিতে অংশ নেয়ায় এটি ‘ইবরাহীমি চুক্তি’ (আবরাহাম অ্যাকোর্ড) হিসেবে পরিচিতি পায়।

Back to top button