জাতীয়

‘দুর থেকে স্বজনদের দেখে শান্তি খুঁজে নেন তারা’

এপার বাংলাদেশ অ’পর পাশে ভা’রত। মাঝখানে সীমানা কাঁ’টা তারের বেড়া। ঈদের খুশির দিনে ভা’রতে থাকা স্বজনদের এক নজর দেখতে ও বিভিন্ন স্থান থেকে সীমান্ত দেখতে আসা দর্শনার্থীরা দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে একত্রিত হয়েছিল কয়েক শতাধিক মানুষ। এখানে সরাসরি কথা না বলতে পারলেও দুর থেকে স্বজনদের দেখে শান্তি খুঁজে নেন তারা।

হিলি স্থলবন্দরের দুই দেশের সীমান্ত শহরে নামেই হচ্ছে হিলি। দু-দেশের হিলি শহরের মাঝ দিয়ে রয়েছে রেললাইন। রেললাইনের এপার বাংলাহিলি আর ওপার ভা’রত হিলি। বাংলাদেশ ও ভা’রতের নিকটবর্তী শহর হিলি হওয়ায় এই শহর দেখতে ছুটে চলে আসে অনেকেই।

ঈদের দিন বিকেল থেকেই হিলি সীমান্তের চেকপোস্ট গেট এলাকায় ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। শুধু ঈদের দিন নয় শুক্রবার ছুটির দিনেও প্রতিদিনেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রীবাহী বাস, প্রাইভেট’কার, মাইক্রোবাস, মোটর সাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে করে তারা এখানে আসেন। অ’পর দিকে ভা’রতের অভ্যন্তরের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসেন ভা’রতের জিরো পয়েন্টে।

কথা হয় ফুলবাড়ী থেকে আসা আহসান হাবীব নামের একজনের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমা’র বাবার সাত ভাই। এর মধ্যে বাবা বাংলাদেশে থাকেন, বাকি চাচারা ভা’রতে। বেশ কিছুদিন ধরে তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা হয়নি। ফেসবুক মেসেঞ্জার হোয়াটসঅ্যাপে কথা হয়। আজকে সরাসরি কথা বলতে না পারলেও দূর থেকে এক নজর দেখে নিজেকে খুব খুশি লাগছে।

দিনাজপুর থেকে আসা ম’রিয়ম বিবি বলেন, পরিবারের সবাই ভা’রতে থাকেন। চাচাকে দেখতে এসেছি। কাছে গিয়ে কথা বলতে পারলাম না দূর থেকে দেখেও ভালো লাগলো।

দর্শনার্থীরা আরও বলেন, ছে’লে মে’য়েদের বিনোদনের উদ্দেশ্যেই হিলি সীমান্ত এলাকা দেখতে এসেছি। এতদিন শুনেই এসেছি আজ কাছ থেকে অনেক কাছাকাছি ভা’রত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখলাম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। সেখানে ঘুরে বেড়িয়েছি ও ছবি তুলেছি সব মিলিয়ে খুব ভালো লাগলো এখানে এসে।

বিজিবি জানান, সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে রয়েছি। দুই দেশের লোকজন ঈদের দিনে দুপাশে ভিড় করে। তারা স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে আসে। কিন্তু নিরপত্তার কারণে কাছে গিয়ে কথা বলার কোনো সুযোগ দেওয়া হয় না।

Back to top button