জাতীয়

ম’স’জিদে লাউডস্পিকার উপহার দিলো হিন্দুরা

ম’স’জিদে লাউডস্পিকারের ব্যবহার নিয়ে তুমুল উ’ত্তে’জ’না বিরাজ করছে মহারাষ্ট্রে। কিন্তু সেই মহারাষ্ট্রেই দেখা মিলল সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্তের। রীতিমতো চাঁদা তুলে লাউডস্পিকার কিনে তারপর ম’স’জিদকে উপহার দিয়েছে একটি গ্রামের হিন্দু বাসিন্দারা। সম্প্রীতির এমন নজির স্থাপন করেছেন মহারাষ্ট্রের নাগপুরের বুলধানা জে’লার কেলওয়াদ গ্রামের বাসিন্দারা।

জানা যায়, কেলওয়াদ গ্রামে কোনো মু’সলিম নেই। তাই সেখানে ম’স’জিদই নেই। এজন্য পাশের কিনহোলা গ্রামের একটি ম’স’জিদের জন্য চাঁদা তুলে লাউডস্পিকার কিনে উপহার দেয় কেলওয়াদের বাসিন্দারা। ঈদের উপহার হিসেবে ওই ম’স’জিদকে লাউডস্পিকার দেয় কেলওয়াদের গ্রামবাসী। কেলওয়াদের গ্রামবাসী ঈদের উপহার হিসেবে লাউডস্পিকার গ্রহণের জন্য কিনহোলার মু’সলিম ভাইদের আমন্ত্রণ জানান। কেলওয়াদ থেকে প্রায় ৬ কিমি দূরে কিনহোলার ম’স’জিদটি এই এলাকার একমাত্র ম’স’জিদ। ওই ম’স’জিদে আগে থেকেই লাউডস্পিকার লাগানো আছে।

কিনহোলা থেকে আসা ম’স’জিদের ই’মাম বলেন, তিনি লাউডস্পিকারটিকে হিন্দু ভাইদের কাছ থেকে একটি প্রে’মময় উপহার হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং এটি ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হবে।কেলওয়াদে এই উদ্যোগ নেয়া রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারাও এটিকে গ্রামীণ ভা’রতে জাতীয় অখণ্ডতা এবং ঐক্যের উদাহ’র’ণ হিসাবে অ’ভিহিত করেছেন। কেলওয়াদের একজন প্রবীণ নাগরিক এবং বুদ্ধিজীবী গণেশ নিকম বলেন, হিন্দু-মু’সলমানরা বহু শতাব্দী ধরে গ্রামে গ্রামে একসঙ্গে বসবাস করছে। আমাদের একে অ’পরকে নিয়ে কোনো সমস্যা বা অ’ভিযোগ নেই। রাজনীতিবিদরা নির্বাচনের আগে মেরুকরণের জন্য সম্প্রদায়ের মধ্যে এই নতুন ফাটল তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তিনিই ম’স’জিদে লাউডস্পিকার উপহার দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

গ্রাম শান্তি কমিটির সভাপতি উমেশ পাটিল বলেন, এই উদ্যোগটি একটি প্রতীকী প্রতিবাদ। আম’রা বিশ্বা’স করি যে হঠাৎ করে লাউডস্পিকার ইস্যু উত্থাপনের পেছনে উদ্দেশ্য হলো রাজ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু করা। গ্রামীণ মহারাষ্ট্রে হিন্দু-মু’সলমান উভয়েই শান্তিতে বসবাস করছে। আম’রা সস্তা রাজনীতিবিদদের জনগণকে উসকানি দিয়ে এবং আমাদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকেধ্বং,স করে যেতে দিতে পারি না।

Back to top button