জাতীয়

রায়হান হ’ত্যা: কোর্ট রেফারেন্সে পেছালো প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণ!

প্রথম দিনেই পেছালো সিলেটে পু’লিশ ফাঁড়িতে নি’র্যা’তনে নি’হ’ত রায়হান হ’ত্যা মা’ম’লার সাক্ষ্য গ্রহণ।গত ১৮ এপ্রিল অ’ভিযোগ গঠনের পর মঙ্গলবার (১০ মে) ছিল এই হ’ত্যা মা’ম’লায় সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ।এদিন সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল রায়হানের মা সালমা বেগম, স্ত্রী’ তাহমিনা আক্তার তান্নী ও রায়হানের চাচা শ্বশুরের। এজন্য আ’সা’মিদেরও আ’দা’লতে হাজির করা হয়। কিন্তু আ’সা’মি পক্ষের আইনজীবীরা অ’ভিযোগ গঠনের বিপক্ষে উচ্চ আ’দা’লতে যাওয়া এবং এক আইনজীবীর মৃ’ত্যুতে কোর্ট রেফারেন্স থাকায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।

সিলেট মহানগর দায়রা জজ আ’দা’লতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নওশাদ আহমেদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য এদিন রায়হানের মা, স্ত্রী’সহ ৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু একজন আইনজীবী মৃ’ত্যুতে কোর্ট রেফারেন্স চলায় সাক্ষ্য হয়নি। তাছাড়া আ’সা’মিদের আইনজীবীরা আ’দা’লতে একটি দরখাস্ত দিয়ে জানিয়েছেন, মা’ম’লার চার্জ গঠনের বি’রু’দ্ধে তারা হা’ই’কো’র্টে রিভিশনে গিয়েছেন। কিন্তু এই ম’র্মে কোনো কিছু আনেননি আ’দা’লত। এ অবস্থায় আ’দা’লতের কার্যক্রম মুলতবি করা হয়। মা’ম’লায় সাক্ষ্যগ্রহণ বুধবার কিংবা বৃহস্পতিবার তারিখ ধার্য রয়েছে।
তিনি বলেন, রায়হান হ’ত্যা মা’ম’লায় হেফাজতে মৃ’ত্যু নিবারণ আইন তৎসহ ৩০২ দ’ণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারা ও ২০১ ধারায় অ’ভিযোগ গঠন করা হয়েছে। কিন্তু আ’সা’মিপক্ষ শুধুমাত্র হেফাজতে মৃ’ত্যু নিবারণ আইনে মা’ম’লা’টি চালাতে চান। এজন্য অ’ভিযোগ গঠনের বি’রু’দ্ধে তারা হা’ই’কো’র্টে গেছেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, রায়হান হ’ত্যা মা’ম’লায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তিকে সাক্ষী করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১৮ এপ্রিল সিলেট মহানগর দায়রা জজ আ’দা’লতের বিচারক মো. আবদুর রহিমের আ’দা’লতে ৬ জনের বি’রু’দ্ধে অ’ভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে রায়হান হ’ত্যা মা’ম’লার বিচার শুরু করেন।২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেট শহরের আখালিয়ার এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহম’দকে বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়িতে নিয়ে নি’র্যা’তন করা হয়। পরদিন ১১ অক্টোবর সকালে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান রায়হান। এ ঘটনায় নি’হ’তের স্ত্রী’ তাহমিনা আক্তার তান্নী কোতোয়ালি থা’নায় পু’লিশ হেফাজতে মৃ’ত্যু নিবারণ আইনে মা’ম’লা দায়ের করেন।

মা’ম’লা’টি প্রথমে পু’লিশ ত’দ’ন্ত করে। এরপর বছরের ১৩ অক্টোবর স্থা’নান্তর হয় পিবিআইতে। গত বছরের ৫ মে মা’ম’লার ত’দ’ন্ত কর্মক’র্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক আওলাদ হোসেন ১ হাজার ৯শ পৃষ্ঠার অ’ভিযোগপত্র প্রতিবেদন দাখিল করেন। অ’ভিযোগপত্রে বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটুচন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদ এবং কথিত সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমানকে অ’ভিযু’ক্ত করা হয়। অ’ভিযু’ক্ত পাঁচ পু’লিশ সদস্য কারাগারে থাকলেও নোমান এখনও পলাতক রয়েছেন।

Back to top button