জাতীয়

বৃষ্টিতে গোসলের সময় হলের ছাদ থেকে পড়ে জাবি শিক্ষার্থীর মৃ’ত্যু

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃষ্টির সময় শহীদ রফিক-জব্বার হলের ছাদ থেকে পড়ে অমিত কুমা’র বিশ্বা’স নামের এক শিক্ষার্থীর মৃ’ত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা। গুরুতর আ’হত অবস্থায় তাকে তাৎক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে সাভা’রের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়।

বিকাল সাড়ে ৫ টায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) দায়িত্বরত চিকিৎসক ইফরান বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ’ত্যু হয়েছে। ইন্টারনাল ব্লিডিং ও মা’থায় গুরুতর আ’ঘাতের কারণে তার মৃ’ত্যু হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অমিত শহীদ রফিক জব্বার হলের ৩১৫ নম্বর কক্ষের আবাসিক। তার গ্রামের বাড়ি খুলনায়। বাবা অজয় কুমা’র বিশ্বা’স বাংলাদেশ নৌ বাহিনীতে কর্ম’রত আছেন। অমিত পরিবারের একমাত্র সন্তান।

প্রত্যক্ষদর্শী পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার খান হৃদয় বলেন, আমি তিন তলায় থাকা অবস্থায় ভা’রি কিছু ছাদ থেকে পড়ার শব্দ শুনি। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে অমিতকে পড়ে থাকতে দেখে সঙ্গে সঙ্গে হলের কিছু ছাত্রদের সহায়তায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে নিয়ে আসি। সেখান থেকে তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানো হয়।

অমিতের রুমমেট, একই বিভাগের শিক্ষার্থী রবিন ঘোষ বলেন, অমিত খুবই ভালো ছে’লে। তার কোনো ধরনের হতাশা ছিল না। ও নিয়মিত মেডিটেশন করত। তবে ইদানিং একটু অ’সুস্থ ছিল। এছাড়া কোনো ধরনের সমস্যা ছিল না। আজকে দুপুরে আম’রা বন্ধুরা মিলে একসঙ্গেই খাবার খেয়েছি। অমিতও আমাদের সঙ্গে ছিল। পরে সে হলে চলে আসে। কিছুক্ষণ পর শুনি সে ছাদ থেকে পড়ে গেছে।

শহীদ রফিক জব্বার হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন, ঘটনা শুনে আমি তাৎক্ষণিক এনাম মেডেকেলের ই’মা’র্জেন্সিতে নিয়ে যাই। আম’রা সব ধরনের সহযোগিতা দিয়েছি। কিন্তু আম’রা তাকে বাঁ’চাতে পারিনি। আম’রা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গাড়িতে করে তাকে খুলনায় তার গ্রামের বাড়িতে পাঠাব। তার সঙ্গে সহপাঠীরাও যাবে।

 

Back to top button