জাতীয়

তারেকের পিএস অ’পুর বি’রু’দ্ধে চার্জ শুনানি ৫ জুন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও দেশকে অস্থিতিশীল করতে অ’বৈ’ধ অর্থায়নের অ’ভিযোগে বিএনপির ভা’রপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব (পিএস) মিয়া নূর উদ্দিন অ’পুরসহ সাতজনের বি’রু’দ্ধে চার্জ শুনানির জন্য আগামী ৫ জুন দিন ধার্য করেছেন আ’দা’লত।

মঙ্গলবার (১০ মে) ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান শুনানির এই দিন ধার্য করেন।এদিন পলাতক তিন আ’সা’মি আতিকুর রহমান আতিক, মো. মাহমুদুল হাসান ও ফয়েজুর রহমানের আ’দা’লতে হাজিরে পত্রিকায় বি’জ্ঞ’প্তি প্রকাশের জন্য দিন ধার্য ছিল। সেই পত্রিকা বি’জ্ঞ’প্তির কপি এদিন রাষ্ট্রপক্ষ আ’দা’লতে দাখিল করে। এরপর আ’দা’লত চার্জগঠন শুনানির জন্য এই দিন ধার্য করেন।

ট্রাইব্যুনালের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর গো’লাম ছারোয়ার খান জাকির এ তথ্য জানান।  ২০১৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর এ ঘটনায় মতিঝিল থা’নায় রে’ব-৩ এর ডিএডি (নায়েব সুবেদার) বাদী হয়ে একটি মা’ম’লা করেন। মা’ম’লায় ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ২০১৩ সালের সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ৭/৩০ ধারায় অ’ভিযোগ আনা হয়।

মা’ম’লার অ’ভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও দেশকে অস্থিতিশীল করতে মতিঝিল সিটি সেন্টারে ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ এবং ইউনাইটেড কর্পোরেশন অফিসে বিপুল সংখ্যক অর্থ মজুদের অ’ভিযোগ পায় রে’ব-৩। সেই সংবাদ পেয়ে ২০১৮ সালের ১৪ ডিসেম্বর রে’বের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে অ’ভিযান চালানো হয়। অ’ভিযানে ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাহমুদুল হাসানের ভাগ্নে এ এম হায়দার আলীকে (২৪) আ’ট’ক করে রে’ব।

এ সময় তার কাছ থেকে তিন কোটি ১০ লাখ ৭৩ হাজার টাকা জ’ব্দ করে রে’ব। একই কাজে ব্যবহারের জন্য আরও ৫ কোটি টাকা মানিটারি এক্সপ্রেস অফিসে রেখে আসার কথা তিনি স্বীকার করেন।  এ ঘটনায় ছয়জনসহ অ’জ্ঞা’তপরিচয় কয়েকজনকে আ’সা’মি করে মা’ম’লা দায়ের করা হয়।

আ’সা’মিরা হলেন- এ এম আলী হায়দার নাফিজ, জয়নাল আবেদীন, মো. আলমগীর হোসেন, অ’পু, আতিকুর রহমান আতিক ও মো. মাহমুদুল হাসান। পরে চার্জশিটে এই ছয়জনের সঙ্গে মো. ফয়েজুর রহমানের নাম যু’ক্ত করা হয়। আ’সা’মি  অ’পু তারেক রহমানের পিএস ও শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন। আ’সা’মিদের মধ্যে আতিকুর রহমান আতিক ও মো. মাহমুদুল হাসান শুরু থেকেই পলাতক ছিলেন। আর ফয়েজুর রহমান উচ্চ আ’দা’লত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক হন। আর নাফিজ ঘটনার বিষয়ে আ’দা’লতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দেন।

শুনানিকালে অ’পুসহ কারাগারে থাকা বাকি চার আ’সা’মিকে আ’দা’লতে হাজির করা হয়। এ মা’ম’লায় ২০২১ সালের ১৩ জুন সাতজনকে অ’ভিযু’ক্ত করে অ’ভিযোগপত্র দাখিল করে রে’ব। একই বছর ১২ আগস্ট মা’ম’লা’টি সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বদলি হয়ে আসে। ট্রাইব্যুনাল ২২ সেপ্টেম্বর অ’ভিযোগপত্র আমলে নিয়ে পলাতক তিন আ’সা’মির বি’রু’দ্ধে গ্রে’প্তা’রি পরোয়ানা জারি করেন।

Back to top button