জাতীয়

টিসিবির তেল বিক্রি শুরু ১৬ মে, দাম নির্ধারণ শিগগিরই

বাজারে সয়াবিন তেলের দাম এক লাফে ৩৮ টাকা বেড়ে লিটারপ্রতি দাঁড়িয়েছে ১৯৮ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের ভোক্তাসাধারণ। এদিকে বন্ধ রয়েছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রি। তবে টিসিবি জানিয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের ১৬ তারিখ থেকে আবারও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু হবে।

একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান জানান, ১৬ মে থেকে টিসিবি তাদের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শুরু করবে। তেলের দাম কত হবে শিগগিরই তা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

টিসিবির কার্যক্রম নিয়ে আরিফুল হাসান বলেন, ‘টিসিবিকে এখন সক্ষমতার তুলনায় বেশি কাজ করতে হচ্ছে। কিছুদিন আগেও প্রতি মাসে ২০ থেকে ৩০ লাখ লোককে পণ্য দেওয়া হতো। বাজার অস্থির হলে সেটা ৫০ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্তে এক কোটি লোককে পণ্য দিতে হচ্ছে। সীমিত লোকবল নিয়ে এ রকম কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করা বেশ ক’ষ্টসাধ্য। এর মধ্যেও সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের বেঁধে দেওয়া মূল্যে পণ্য পৌঁছে দিতে সাধ্যমতো চেষ্টা করছি।’

টিসিবির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, মে মাসের জন্য গুদামে ৭০-৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল গুদামজাত করা আছে। জুন মাসের জন্য আরও তিন কোটি লিটার সয়াবিন কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মজুত নিয়ে আপাতত কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছে টিসিবি।

সাধারণ ভোক্তাদের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া স’ম্প’র্কে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের লোকবলের তীব্র সংকট রয়েছে। সবাইকে অ’তিরিক্ত চাপ নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। আমাদের সক্ষমতার তিনগুণ লোকের কাছে পণ্য পৌঁছাতে হচ্ছে। ঈদের আগে এটা করতে গিয়ে জে’লা প্রশাসনসহ অন্যদের সহযোগিতাও নিতে হয়েছে। এ জন্য চলতি মাসে হয়তো এক কোটি লোকের হাতে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব হবে না। তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে। তা ছাড়া আমাদের গুদামেরও সংকট আছে। ঢাকায় জায়গা ভাড়া নিয়ে কোনোমতে কাজ চালানো গেলেও, আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোতে সংকট লেগেই আছে। এসব সক্ষমতা বাড়ানো না গেলে এক কোটি লোকের হাতে পণ্য পৌঁছানো বেশ চ্যালেঞ্জের হবে।’

তবে সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবগত করা হয়েছে বলে জানান টিসিবি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘বিতরণ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে ১২ লাখ কার্ড তৈরি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ডিজিটাল কার্ড দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।’

Back to top button