জাতীয়

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন জুনেই

আগামী মাসেই (জুন’২০২২) যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু। সেতুর নাম অনুমোদনের জন্য শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে, তিনিই নাম ঠিক করবেন।

বুধবার (১১ মে) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনে নিয়মিত বোর্ডসভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আজকের বোর্ডসভায় আম’রা কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেতু বিভাগের আওতায় বেশকিছু জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মা বহু’মূখী সেতু।
সেতুর কাজের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মূলসেতু বাস্তবায়ন কাজের অগ্রগতি ৯৮ ভাগ, নদী শাসন ৯২ ভাগ, মূল সেতুর কার্পেটিং ৯১ ভাগ, সার্বিক সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজের অগ্রগতি ৯৩.৫০ ভাগ।

আগামী মাসের শেষ দিকে আম’রা পদ্মা সেতু উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আম’রা এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ পাঠাচ্ছি। তিনি আগামী মাসে (জুন) যেদিন সময় দেবেন, সেদিনই আম’রা বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

পদ্মাসেতুর কাজ শেষ নিয়ে ধোঁয়াশার কারণ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আম’রা শেষ দিকে আছি। কাজ যতটুকু বাকি আছে তা চলতি মাসেই শেষ করতে পারব। আমি মন্ত্রী হিসেবে জেনে-শুনেই বলছি, জুনেই সেতু উদ্বোধন করা হবে।

তবে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন পদ্মাসেতু উদ্বোধন হবে না বলেও জানান তিনি।

সেতুর নাম প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আম’রা বারবার প্রধানমন্ত্রীকে বলার চেষ্টা করেছি, সেতুর নাম শেখ হাসিনা পদ্মাসেতু করার জো’রালো দাবি এসেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রাজি হচ্ছেন না। উদ্বোধনের যে সামা’রি আম’রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাব সেখানে আবারও নাম ‘শেখ হাসিনা পদ্মাসেতু’ প্রস্তাব করা হবে। তিনিই নাম ঠিক করবেন, সেটা ওনার এখতিয়ার।

পদ্মা সেতুর টোল হার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আম’রা টোলের সামা’রি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। তিনি যেটা অনুমোদন করবেন সেটাই হবে।

সেতুতে রেল সংযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুলাই থেকে রেল সংযোগের কাজ শুরু হবে। আম’রা এ সংক্রান্ত কারিগরি নথিপত্র এখনো পাইনি। , যখন সেগুলো দেবে, তখন আলোচনা করে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল নির্মাণ। টানেল প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৮৫ ভাগ। আশা করছি এ বছরই টানেল আলোর মুখ দেখবে।

Back to top button