জাতীয়

‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী

বৈশ্বিক এক্সটারনাল ভা’র্নাবিলিটি (বৈশ্বিক অস্থিরতা) সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মু’স্তফা কা’মাল।

তিনি বলেন, রা*শি*য়া ও ই*উ*ক্রে*নের যু’দ্ধের প্রভাব সারা’বি’শ্বে ছড়িয়ে গেছে।সবাই এটা নিয়ে ক’ষ্ট পাচ্ছে। তবে আমাদের ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে আম’রা আশা করি অর্থনীতির গতিশীলতা হারাবে না।
বুধবার (১১ মে) দুপুরে ভা’র্চ্যুয়ালি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মু’স্তফা কা’মালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী মু’স্তফা কা’মাল বলেন, সময় যখন কঠিন, তখন আপনাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আম’রা যেভাবে চলছি সারা’বি’শ্বের অবস্থা একই রকম। বিশ্বের সঙ্গে আমাদের একীভূত হয়ে কাজ করতে হয়। বিশ্বের যে সার্বিক অবস্থা সেটি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়।

তিনি বলেন, সুসময়ের জন্য বৈশ্বিক এক্সটারনাল ভা’র্নাবিলিটিগুলো সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। কঠিন সিদ্ধান্ত বলতে আমাদের দেশের অর্থনীতির চাকা বন্ধ হয়ে যাবে, আমাদেন উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে, আমাদের স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো রকম ঘাটতি আসবে সেরকম কিছু নয়। যেমন রাসায়নিক আইটেম এখন না কিনে দুই মাস বা ছয়মাস পর কিনতে পারি। যেসব প্রকল্পগুলো আম’রা করতে চেয়েছিলাম, আম’রা যদি মনে করি সেগুলো এখন না করলেও সমস্যা নেই সেগুলোকে আম’রা পরবর্তি সময়ের জন্য রেখে দেবো, এভাবে আম’রা সমন্বয় করছি। এখানে কোনো কিছু কমতি না, শুধু সময় ইফেকটিভলি ম্যানেজ করতে চাই। আমাদের ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে আম’রা আশা করি অর্থনীতির গতিশীলতা হারাবে না।

কতোদিন এভাবে সমন্বয় করতে হবে জানতে চাইলে মু’স্তফা কা’মাল বলেন, আপনি বলতে পারবেন না রা*শি*য়া-ই*উ*ক্রে*নের যু’দ্ধ কবে থামবে। মূল কারণ তো একটাই, এ মুহুর্তে কোভিড নেই। কোভিড মহামা’রি সারা’বি’শ্বে কমে গেছে সেজন্য শুকরিয়া আদায় করি। এটির প্রভাব আর নেগেটিভলি পড়ছে না। এখন শুধুমাত্র যু’দ্ধের প্রভাব সারা’বি’শ্বে ছড়িয়ে গেছে। সবাই এটা নিয়ে ক’ষ্ট পাচ্ছে।

তিনি বলেন, আজকের অনুমোদিত প্রস্তাবের মধ্যে একটি প্রকল্প খুব অসাধারণ। সেটি হলো আমাদের ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে সারাদেশে জায়গা জমি নিয়ে যেগুলোর কাগজপত্র নেই সেগুলো নিয়ে অনেক মা’ম’লা মোকাদ্দমায় যেতে হয়। সেই মা’ম’লা মোকাদ্দমা সহ’জে শেষ হয় না। আম’রা বিশ্বা’স করি সেটি থেকে দেশের মানুষ মুক্তি পাবে। কারণ এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমির কাজগুলো সব ডিজিটাইজড হবে। দেখা যাবে সবকিছুই এর আওতায় চলে আসবে। এটি খুব ভালো কাজ, দেশের মানুষের জন্য এটি কল্যাণকর। তাই এটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

Back to top button