জাতীয়

আ.লীগ নেতার পরিবারের সঙ্গে সং’ঘ’র্ষে ৬ পু’লিশ সদস্য আ’হত

পীরগঞ্জে উচ্চ আ’দা’লতের নির্দেশ পালনে যাওয়া পু’লিশ সদস্যদের সঙ্গে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তার পরিবারের সদস্যদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে না’রী পু’লিশসহ ৬ পু’লিশ সদস্য আ’হত হয়েছেন। অ’পরপক্ষেও ৮-৯ জন আ’হত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পু’লিশ ৬ জনকে গ্রে’প্তা’র করেছে।

পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান পাহাড়পুর মৌজায় বরেন্দ্র বহু’মুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একটি গভীর নলকূপ পরিচালনা করে আসছেন। কয়েক মাস আগে একই মৌজার নিজ জমিতে স্থানীয় কাজীপাড়ার রশিদ সরদার গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য উপজে’লা সেচ কমিটির কাছে আবেদন করেন। অনুমোদনও পান। তবে অল্প দূরত্বে দুটি গভীর নলকূপ পরিচালনা সম্ভব নয় জানিয়ে মিজানুরের আবেদনের পর সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করে উপজে’লা সেচ কমিটি। বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায় উচ্চ আ’দা’লতে যান রশিদ সরদার।

সম্প্রতি হা’ই’কো’র্ট ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রশিদের সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগের নির্দেশ দিলে রংপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে। গত বুধবার পীরগঞ্জ থা’না পু’লিশসহ পল্লীবিদ্যুতের লোকজন সেখানে গেলে ওই আওয়ামী লীগ নেতা এবং তার পরিবারের সদস্যরা পু’লিশের সঙ্গে হাতাহাতি করেন।

এ সময় না’রী পু’লিশ সদস্য গোলেনুর বেগম ও জান্নাতুল মা’ওয়া আ’হত হন। পরে পু’লিশ লা’ঠিচার্জ করলে উভ’য়পক্ষের মধ্যে সং’ঘ’র্ষ বাধে। এতে পু’লিশের নায়েক ফারুক উজ জামান, কনস্টেবল তারেক মিয়া, কা’ম’রুল হাসান, আরিফুল হক আ’হত হন। পরে অ’তিরিক্ত পু’লিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পীরগঞ্জ থা’নার ওসি আব্দুল আউয়াল জানান, হা’ই’কো’র্টের নির্দেশ পালনে পল্লীবিদ্যুতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পু’লিশ ঘটনাস্থলে যায়। ওই সময় মিজান মাস্টার ও তার পরিবারের লোকজন পু’লিশের ওপর হা’ম’লা করে। এ ঘটনায় মা’ম’লায় ৬ জনকে গ্রে’প্তা’র করা হয়েছে।

ওই পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আসাদুজ্জামান বলেন, ১০ কার্যদিবসের মধ্যে হা’ই’কো’র্টের আদেশ পালনের বাধ্যবাধকতা ছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বাধার সম্মুখীন হওয়ায় পু’লিশের সহায়তা চাওয়া হয়েছিল।

 

Back to top button