জাতীয়

পি কে হালদার ইস্যুতে ভা’রতে আরও একজন গ্রে’প্তা’র

আ’লো’চি’ত পি কে হালদার ইস্যুতে ভা’রতে আরও একজনকে গ্রে’প্তা’র করেছে দেশটির অর্থসংক্রান্ত গোয়েন্দা সংস্থা ইডি। শনিবার (১৪ মে) সকাল থেকেই দ্বিতীয় দিনের মতো অ’ভিযান চালাচ্ছে ইডি। এ সময় একজনকে গ্রে’প্তা’র করা হয়।

এর আগে পি কে হালদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও আত্মীয়স্বজনের নামে আরও বেশ কয়েকটি বাড়ির সন্ধান পায় ইডি। আর গতকালই গ্রে’প্তা’র করা হয় ভাগনে প্রা’ণেশ হালদারকে।

হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের অ’ভিযোগে পলাতক পি কে হালদারের এবার দেশের পর দেশের বাইরের অ’ভিযানে একের পর এক বেরিয়ে আসছে অর্থ পাচারের থলের বিড়াল। খোঁজ মেলে বিপুল পরিমাণ সম্পদের।

পাশাপাশি পি কে হালদারের ঘনিষ্ঠ বেশ কজনের নামও উঠে এসেছে। এরইমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আ’ট’ক করা হয়েছে কয়েকজনকে।

জানা গেছে, পি কে হালদারের পাচার করা অর্থে ভা’রতে কেনা বিভিন্ন সম্পত্তি দেখভালে থাকা যে কজনের নাম ইডির ত’দ’ন্তে আসছে, তাদের মধ্যে আছেন সুকুমা’র মৃধা, তার মে’য়েজামাই সঞ্জীব হাওলাদার, পি কে হালদারের আত্মীয় প্রণব কুমা’র হালদার ও স্বপন মিত্র।

এদের মধ্যে সুকুমা’র মৃধা ছিলেন বাংলাদেশে পি কে হালদারের ব্যক্তিগত আইনজীবী এবং তার অর্থ দেখভাল করতেন। সুকুমা’র মৃধা উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে মাছ ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত হলেও সেখানে সুকুমা’রের বেশ কিছু মাছের ভেড়ি রয়েছে। তবে সুকুমা’র সেখানে নিজেকে পি কে হালদারের ক্লায়েন্ট হিসেবে পরিচয় দিতেন। সুকুমা’রের মে’য়ে অনিন্দিতা মৃধার স্বামী সঞ্জীব হাওলাদার। তিনিও বাংলাদেশি নাগরিক।

পি কে হালদারের ভাই এনআরবি-কা’ণ্ডে অন্যতম অ’ভিযু’ক্ত প্রীতিশ হালদার অশোকনগরে তার নামে একটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি কেনেন। দুই বছর আগে বাড়িটি সুকুমা’রের নামে আরেক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেন প্রীতিশ। ওই বাড়িতেই থাকতেন সুকুমা’রের মে’য়েজামাই সঞ্জীব।

শুক্রবার ওই বাড়িতে অ’ভিযানের সময় ইডি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। অশোকনগরে পি কে হালদার চক্রের আরেক সহযোগী স্বপন মিত্রের বাড়ি থেকে অর্থ পাচারসংক্রান্ত একাধিক নথিও জ’ব্দ করেন তারা। পরে দীর্ঘ জেরার পর তাকে আ’ট’ক করে ইডি।

Back to top button