জাতীয়

জলাবদ্ধতার কারণে লন্ডন শহর তিনদিন পানির নিচে ছিল

অবশেষে মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সোমাবার ১৬ মে দুপুরে কুমিল্লা সিটি মেয়রের চেয়ার ছাড়েন বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু। সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মক’র্তার প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা হস্তান্তরের পূর্বে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।
সাংবাদিকরা নগরীর যানজট ও জলাবদ্ধতাসহ নানা বিষয়ে প্রশ্ন করেন।

এ সময় মনিরুল হক সাক্কু বলেন, অ’তিবৃষ্টি, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ফোরলেনের কাজের কারণে নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর কোন দেশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় না জলাবদ্ধতার কারণে তিনদিন লন্ডন শহর পানির নিচে ছিল!

সাক্কু আরও বলেন, যানজট নিরসনে আম’রা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। চকবাজার ও শাসনগাছা বাস টার্মিনাল সরানোর জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণেরে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এতে যানজট কমবে। পাশাপাশি, শহরের অটোরিকশাসহ পরিবহনগুলো দুই ধাপে চালানোর একটি পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, গত ১০ বছরে ৬৫০ কোটি টাকা পেয়েছি। যার মধ্যে অল্প কিছু টাকা একনেক দিয়েছে। সম্প্রতি একনেকে ১৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এগুলো ওয়ার্ড অনুসারে ভাগ করে দিয়েছেন। এতদিন টাকার অভাবে অনেক কাজ করতে পারিনি। এবার নির্বাচিত হলে বাকি কাজ সম্পন্ন করবো। আমি মনে করি, চুক্তি অনুসারে ৬০-৬২ ভাগ কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছি।

এর আগে গত ২০১৮ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১৬ জনের একটি তালিকায় জে’লার মা’দ’ক কারবারীদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কুমিল্লায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতের নাম এক নম্বরে আসে, সম্প্রতি এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সাক্কু বলেন, রিফাত ভাইয়ের নাম এসেছে। আমা’র নাম এলেও সংবাদ সম্মেলন করে আমা’র অবস্থান স’ম্প’র্কে জানাতাম। রিফাত ভাই এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে পারেন।

গত বছর দফায় দফায় বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে নগরবাসী। জলাবদ্ধতার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন নগরীর মানুষ। এর আগেও কুমিল্লা নগরীতে জলাবদ্ধতার ঘটনা ঘটেছিল। তবে, ২০২১ সালের মতো কয়েক দফা জলাবদ্ধতার ঘটনা নজিরবিহীন।

এদিকে আগামী ১৫ জুন কুমিল্লায় তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। মনিরুল হক সাক্কু স্বতন্ত্র ও বিএনপির ব্যানারে দুইবারই কুমিল্লার মেয়র নির্বাচিত হন।

 

Back to top button