জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল দম্পতির বি’রু’দ্ধে গ্রে’প্তা’রি পরোয়ানা

আ’লো’চি’ত ই-কমা’র্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেলসহ তিনজনের বি’রু’দ্ধে ধাম’রাইয়ের এক গ্রাহকের করা চেক জালিয়াতির মা’ম’লায় গ্রে’প্তা’রি পরোয়ানা জারি করেছেন আ’দা’লত।

মঙ্গলবার (১৭ মে) সকালে গ্রে’প্তা’রি পরোয়ানা জারির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের জজকোর্টের আইনজীবী আব্দুল ওয়ারেজ।

এর আগে সোমবার (১৬ মে) দুপুরের দিকে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দা’লতের বিচারক কাজী আশরাফুজ্জামান এ আদেশ দেন বলে জানান তিনি।

মা’ম’লার গ্রে’প্তা’রি পরোয়ানাভুক্ত অন্য আ’সা’মিরা হলেন, ই-কমা’র্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও অ্যাডমিন মো. হাসান।

এ বিষয়ে জজকোর্টের আইনজীবী আব্দুল ওয়ারেজ বাংলানিউজকে বলেন, ইভ্যালির এমডি মো. রাসেলের স্বাক্ষরিত ১৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকার দুটি চেক পান আহাদ। চেক দু’টি নগদায়নের জন্য ধাম’রাই উপজে’লার কালামপুর শাখার ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লিমিটেডে উপস্থাপন করলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্ট ক্লোজ/ব্লক উল্লেখ করে চেক দুটি ডিজঅনার স্লিপসহ ফেরত দেন।

আ’সা’মিদের টাকা ৩০ দিনের ভেতর পরিশোধ করার জন্য লিগ্যাল নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই নোটিসের কোনো উত্তর তারা দেননি এবং টাকা পরিশোধের কোনো পদক্ষেপও নেননি। পরে মা’ম’লা হলে আ’দা’লত বিচার বিবেচনা করে তাদের বি’রু’দ্ধে গ্রে’প্তা’রি পরোয়ানা জারি করেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহক আহাদ বাংলানিউজকে বলেন, আমি ইভ্যালি থেকে পাঁচটি মোটরসাইকেল ক্রয় করি ১৪ লাখ টাকা দিয়ে। সেই মোটরসাইকেলের মূল্য ১৪ লাখ টাকা পরিশোধের ৪৫ দিনের মধ্যে আমাকে পাঁচটি মোটরসাইকেল দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়নি। পরে মোটরসাইকেল নেই বলে পাঁচটি মোটরসাইকেল মূল্যের ২৫ লাখ টাকার চেক দেয় ইভ্যালি। কিন্তু সেই চেক খালি পাই।

Back to top button