আন্তর্জাতিক

এএসআইয়ের বি’রু’দ্ধে মোবাইল ‘ছিনিয়ে নেওয়ার’ অ’ভিযোগ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে লিটু দাস নামে এক চা দোকানির মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অ’ভিযোগ উঠেছে পু’লিশের এক এএসআইয়ের বি’রু’দ্ধে। মোবাইল ফেরত চাওয়ায় তাকে মা’দ’ক মা’ম’লায় ফাঁ’সানোর হু’মকিও দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজে’লা সদরের সুবিদখালী স্টিল ব্রিজের ঢালসংলগ্ন ভুক্তভোগীর দোকানে এ ঘটনা ঘটে।অ’ভিযু’ক্ত পু’লিশ কর্মক’র্তা বিশ্বজিৎ মজুম’দার মির্জাগঞ্জ থা’নায় কর্ম’রত।

ভুক্তভোগী লিটু দাস অ’ভিযোগ করে বলেন, এএসআই বিশ্বজিৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমা’র চায়ের দোকানে এসে কিছু না বলেই মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যান। রাতে দোকানের কাছে আবার এলে মোবাইলটি ফেরত চাই। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে শা’রীরিকভাবে লা’ঞ্ছিত করেন এবং মা’দ’ক মা’ম’লায় ফাঁ’সিয়ে জে’লে পাঠানোর হু’মকি দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ওই পু’লিশ কর্মক’র্তার হু’মকিতে আতঙ্কে আছি। মোবাইল তো নিয়েই নিলো, ফেরত চাওয়ায় মা’ম’লার হু’মকি দিল। পু’লিশের বি’রু’দ্ধে কে অ’ভিযোগ নেবে? তিনি (এএসআই) আমাকে আরও বলেন, তুই দোকান খুলবি না, তোর কোন বাপ আছে, প্রধানমন্ত্রী ফোন চাইলেও ফেরত পাবি না। এছাড়া তিনি আমাকে ধাক্কা দিয়ে চড়-থাপ্পড় মে’রেছেন।’

অ’ভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই বিশ্বজিৎ মজুম’দার বলেন, ‘অ’ভিযোগ তো, বেশ ভালো কথা! আমি খুব ক্লান্ত। এ ব্যাপারে আমি আপনার (প্রতিবেদকের) সঙ্গে পরে কথা বলব।’মির্জাগঞ্জ থা’নার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। আমি দেখব।’পটুয়াখালী পু’লিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ভুক্তভোগী লিখিত অ’ভিযোগ দিলে ত’দ’ন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Back to top button