জাতীয়

সিলেটে ব’ন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি, সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনায় অবনতি

সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনায় ব’ন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। অন্যদিকে সিলেটে ব’ন্যা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকতে পারে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) ব’ন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র শনিবার (২১ মে) দুপুরে নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাস প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিলেট অঞ্চলে চারটি নদীর পানি সাতটি পয়েন্টে বিপৎসীমা’র ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছে ব’ন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

ব’ন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, সুরমা-কুশিয়ারা ছাড়া দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে এবং কিছু স্থানে সময় বিশেষে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

সিলেটে ব’ন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি, সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনায় অবনতি

তিনি বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট জে’লার কিছু স্থানে ব’ন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। অন্যদিকে সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা জে’লার নিম্নাঞ্চলের কিছু স্থানে ব’ন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হতে পারে।’ব’ন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি বাড়ছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে পদ্মা নদীর পানিও বাড়ছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া সংস্থাগুলোর গাণিতিক মডেলভিত্তিক পূর্বাভাস তুলে ধরে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং তৎসংলগ্ন ভা’রতের আসাম, মেঘালয়, হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা প্রদেশের কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভা’রি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।’

সিলেটে ব’ন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি, সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনায় অবনতি

দেশের উত্তরাঞ্চলের ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমা’র নদীর পানি স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া।সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট (সিলেট), সিলেট, সুনামগঞ্জ; কুশিয়ারার পানি অমলশীদ (সিলেট) ও শেওলা (সিলেট); পুরোনো সুরমা’র পানি দিরাই (সুনামগঞ্জ) এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি কমলাকান্দায় (নেত্রকোনা) বিপৎসীমা’র ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাপাউবো।

দেশের মধ্যে ভা’রি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমা অ’তিক্রম করলে গত ১৪ মে থেকে সিলেটে ব’ন্যা শুরু হয়। এরপর তা ক্রমে অবনতির দিকে যেতে থাকে। সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও ব’ন্যা ছড়িয়ে পড়ে। এতে পানিব’ন্দি হয়ে পড়ে লাখ লাখ মানুষ। তবে ইতোমধ্যে সিলেটে ব’ন্যার পানি কমতে শুরু করেছে।

Back to top button