জাতীয়

উপহারের ঘর নিয়ে তথ্যচিত্র: প্রচারিত হচ্ছে ‘বদলে যাওয়া বাংলাদেশ’

আশ্রয়হীন, ঠিকানাহীন মানুষ ও তাদের বদলে যাওয়া জীবনের ঘটনা নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র” বদলে যাওয়া বাংলাদেশ” প্রচারিত হচ্ছে একুশে টেলিভিশনে প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৮ টায়। প্রথম পর্বে থাকবে হাওর কন্যা সুনামগঞ্জের সদর উপজে’লার প্রান্তিক মানুষের স্বাবলম্বী হবার গল্প।

অর্ধশত জলমহাল আর অবারিত হাওর অঞ্চলটিতে প্রায় সিংহভাগ মানুষই মৎস্যজীবী ও কৃষক। সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষ; পথই যাদের ঠিকানা, পথই ছিলো যাদের ঘর-তেমনই একজন আ’মেনা বেগমের স্বপ্ন পূরণের ধারাবাহিকতা তুলে আনা হয়েছে এই তথ্যচিত্রে। বিধবা আ’মেনা বেগমের বয়স আশির কোটায়। বাসস্থানের যে দায় তার আপন স্বজনরাও পূরণ করতে পারেনি, সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে নিরাপদ ও স্থায়ী আবাসের বন্দোবস্ত করে দেবার মানবিক ঘটনার চিত্র থাকবে বদলে যাওয়া বাংলাদেশে।

হাছন রাজা আর শাহ আব্দুল করিমের সৃষ্টিকর্মের ধারক বাউল মোহাম্ম’দ গো’লাপ মিয়া। অন্ধত্বের কারণে অন্ধকারের স্বপ্ন যার কাছে আজন্ম বিবর্ণ। পাড়া মহল্লায় স্ত্রী’কে সঙ্গে নিয়ে গান গেয়ে সামান্য রোজগারে যার দিন কাটতো। অন্ধ এই শিল্পীর স্থায়ী ঠিকানা পাবার গল্প জানা যাবে ধারাবাহিক তথ্যচিত্রে।

পরবর্তীতে সুনামগঞ্জ জে’লার বিশ্বম্ভরপুর এবং দিরাই উপজে’লা সহ পর্যায়ক্রমে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ তথ্যচিত্রের প্রতিটি পর্বে উঠে আসবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছিন্নমূল-অসহায় মানুষের বৈচিত্রময় জীবনচিত্র আর লোকজ ঐতিহ্য-সংস্কৃতি-সম্ভাবনা। থাকবে জনজীবনের পূর্বাপর; মানুষের স্বাবলম্বী হবার গল্প।

তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন একুশে টেলিভিশনের পরিচালক ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য রবিউল হাসান অভী। গ্রন্থনা ও উপস্থাপনা আকবর হোসেন সুমন ও দিপু সিকদার।২০ মে ২০২২ থেকে ‘বদলে যাওয়া বাংলাদেশ’ প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ৮ টায় একুশে টেলিভিশনে প্রচারিত হবে।

Back to top button