জাতীয়

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের ভিত শক্তিশালী করেছে

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের ভিত শক্তিশালী করেছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুম’দার। বঙ্গবন্ধু কন্যার উন্নয়নের সুবিধাভোগী এ দেশের সবাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও তার সুযোগ্যপুত্র ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছেন। সেই ডিজিটাল প্রযু’ক্তির সুযোগ নিয়ে বিএনপি সরকারের বি’রু’দ্ধে ষড়যন্ত্র করছে-জনগণকে বি’ভ্রান্ত করছে।

সোমবার (২৩ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: মুক্তির অ’ভিযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অ’তিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি এ আলোচনা সভা’র আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অ’তিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম।অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। বাংলাদেশে খাদ্যের সংকট হবে না।

গম নিয়ে চিন্তার কারণ নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গমের জাহাজ প্রতিনিয়ত আসছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ থেকে গম দেওয়ার কমিটমেন্ট রয়েছে এবং সে অনুযায়ী গম আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সারা বিশ্বে যখন খাদ্যের দাম বাড়ে তখন এখানেও (বাংলাদেশে) খাদ্যের দাম বাড়তে পারে। তবে বাংলাদেশে খাদ্যের অভাব হবে না—হাহাকার হবে না। দেশে প্রচুর খাদ্য মজুত আছে। সামনে আউশ চাষাবাদ হবে, আশা করা যায় উৎপাদনও ভালো হবে। এ সময় জনগণ যাতে বি’ভ্রান্ত না হয় সে বিষয়ে মিডিয়াকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান খাদ্যমন্ত্রী।

সংগঠনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ মল্লিক পিএসসির সভাপতিত্বে বিশেষ অ’তিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহম’দ হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।এ ছাড়াও সংরক্ষিত না’রী আসনের সংসদ সদস্য শামসুন নাহার, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার, আর্কিটেক্ট নিখিল চন্দ্র গুহ, মেজর আ ত ম হালিম, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন বক্তব্য দেন।

 

Back to top button