জাতীয়

জ’ঙ্গিনেতা মুফতি আবদুল হাই গ্রে’প্তা’র

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বো’মা পুঁতে হ’ত্যাচেষ্টা ও রমনা বটমূলে বো’মা হা’ম’লা মা’ম’লার মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রাপ্ত আ’সা’মি জ’ঙ্গিনেতা মুফতি আবদুল হাইকে গ্রে’প্তা’র করেছে রেব। তিনি আরও একাধিক মা’ম’লায় যা’ব’জ্জীবন দ’ণ্ডপ্রাপ্ত আ’সা’মি।

জ’ঙ্গি সংগঠন হুজি’বির প্রতিষ্ঠাতা আমির আবদুল হাইকে বুধবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রে’প্তা’র করা হয়েছে।রেবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা’র প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী একটি বো’মা দেখা যায়।সে’নাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের ওই বো’মা উ’দ্ধা’র করে। পরদিন ৪০ কেজি ওজনের আরেকটি বো’মা উ’দ্ধা’র করা হয়। এ ঘটনায় কোটালীপাড়া থা’নার পু’লিশ হ’ত্যাচেষ্টা এবং বি’স্ফো’রক দ্রব্য আইনে মা’ম’লা করে।

২০১০ সালে গোপালগঞ্জ আ’দা’লত থেকে মা’ম’লা দুটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট দুই মা’ম’লার একটিতে ১০ আ’সা’মিকে ‘ফায়ারিং স্কোয়াডে’ (গু’লি করে) মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের রায় দেন বিচারিক আ’দা’লত।এ ছাড়া একজনকে যা’ব’জ্জীবন ও তিনজনকে ১৪ বছরের কারাদ’ণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের বি’রু’দ্ধে আ’সা’মিরা তিনটি আপিল ও সাতটি জে’ল আপিল করেন।

মা’ম’লায় মূল আ’সা’মি ছিলেন জ’ঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের শীর্ষনেতা মুফতি হান্নান। অন্য মা’ম’লায় তার ফাঁ’সি কার্যকর হওয়ায় তার নাম মা’ম’লা থেকে বাদ দেওয়া হয়।বস্তুত কোটালীপাড়ায় বো’মা হা’ম’লার পরিকল্পনার পেছনে জ’ঙ্গি সংগঠন থাকলেও শেখ হাসিনার ওপর বারবার হ’ত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে এবং এর অনেকগুলো ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিং’সামূলক। তার ওপর এ পর্যন্ত অন্তত ১৯ বার হ’ত্যাচেষ্টার কথা জানা যায়।

অ’পরদিকে ২০০১ সালের পহেলা বৈশাখের দিন ভোরে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানস্থলে দুটি বো’মা পুঁতে রাখা হয় এবং পরে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে তা বি’স্ফোরণ ঘটানো হয়। সকাল ৮টা ৫ মিনিটে একটি এবং ১০-১৫ মিনিট পর আরেকটি বো’মা বি’স্ফোরিত হয়। ঘটনাস্থলে সাত ব্যক্তি প্রা’ণ হারান। পরে আরও তিনজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান। এ ঘটনায় নীলক্ষেত পু’লিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ ওই দিনই রমনা থা’নায় হ’ত্যা ও বি’স্ফো’রক আইনে দুটি মা’ম’লা করেন। এতে ১৪ জনকে আ’সা’মি করে অ’ভিযোগপত্র দেয় পু’লিশ।

এ ঘটনায় করা দুই মা’ম’লার মধ্যে হ’ত্যা মা’ম’লার রায় হয় ২০১৪ সালের ২৩ জুন। রায়ে নিষিদ্ধ জ’ঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের শীর্ষ নেতা মুফতি আবদুল হান্নানসহ আটজনকে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড ও ৬ জনকে যা’ব’জ্জীবন দ’ণ্ডাদেশ দেন আ’দা’লত।

কারাগারে থাকা অ’পর ৯ আ’সা’মি হলেন- মা’ওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আবদুর রাজ্জাক, মা’ওলানা আকবর হোসাইন ওরফে হেলাল উদ্দিন, শাহাদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, হাফেজ মা’ওলানা আবু তাহের, মা’ওলানা আবদুর রউফ, মা’ওলানা সাব্বির ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির, মা’ওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ ও হাফেজ মা’ওলানা ইয়াহিয়া। এ ছাড়া শীর্ষ জ’ঙ্গি নেতা মুফতি আবদুল হান্নান মুন্সীর ফাঁ’সি কার্যকর হয় অ’পর এক মা’ম’লায়। ফলে এই মা’ম’লা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

আ’সা’মিদের মধ্যে পলাতক ৪ আ’সা’মি হলেন- সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মা’ওলানা তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মুফতি শফিকুর রহমান ও মুফতি আবদুল হাই।তাদের মধ্যে মুফতি শফিকুরকে গত ১৪ এপ্রিল ভৈরব থেকে গ্রে’প্তা’র করে রে’ব।

Back to top button