জাতীয়

মৌলভীবাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রা’ণ গেল রাজমিস্ত্রির

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজে’লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা’রা গেছেন এক রাজমিস্ত্রি। তার নাম অফিক আহম’দ (২৪)।

বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজে’লার হিজলোর টোক গ্রামে, বাবার নাম আব্দুস সাত্তার। এ সময় গুরুতর আ’হত হয়েছেন সুনাম উদ্দিন (৩৬) ও বদরুল ই’স’লা’ম (৩০) নামক দুই নির্মাণ শ্রমিক।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৬ মে) দুপুরে বড়লেখা উপজে’লার দাসেরবাজারে একটি নির্মাণাধীন ভবনে। পু’লিশ নি’হ’তের ম’রদেহ উ’দ্ধা’র করে ময়না ত’দ’ন্তের জন্য ম’র্গে পাঠিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজে’লার দাসেরবাজারে জনৈক মস্তফা উদ্দিন পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন ঘেঁষে বেশ কিছুদিন যাবত একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করছেন।

ওই ভবনে রাজমিস্ত্রী’র কাজ করছিলেন অফিক আহম’দ, নির্মাণ শ্রমিক সুনাম উদ্দিন, বদরুল ই’স’লা’মসহ আরও কয়েকজন। ভবনের পাশ দিয়ে পল্লী বিদ্যুতের উচ্চ শক্তির সঞ্চালন লাইন যাওয়ায় শ্রমিকরা ঝুঁ’কিপূর্ণ অবস্থায় কাজ করলেও প্রায়ই ঝড়ঝঞ্জার কারণে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় তা তারা টের পায়নি।

বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎ থাকা অবস্থায় সঞ্চালন লাইন ঘেঁষে কাজ করছিলেন রাজমিস্ত্রি অফিক আহম’দ, নির্মাণ শ্রমিক সুনাম উদ্দিন ও বদরুল ই’স’লা’ম। অসাবধানতাবশত সঞ্চালন লাইন স্প’র্শ করলে র তিনজনই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিট’কে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাদের উ’দ্ধা’র করে পার্শ্ববর্তী বিয়ানীবাজার উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অফিক উদ্দিনকে মৃ’ত ঘোষণা করেন। আ’হত দুই জনের মধ্যে একজনের অবস্থা আশ’ঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম এমাজ উদ্দীন সরদার জানান, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের কমপক্ষে ১০ ফুটের মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের নিয়ম নেই। বিদ্যুৎ লাইন বন্ধের জন্যও কেউ আবেদন করেননি। ভবন নির্মাণকারীর সতর্ক থাকা উচিত ছিল।

শুক্রবার (২৭ মে) বড়লেখা থা’নার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নি’হ’ত রাজমিস্ত্রির ম’রদেহ উ’দ্ধা’র করে ময়না ত’দ’ন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতারলের ম’র্গে পাঠানো হয়েছিল। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ অ’ভিযোগ দেয়ননি। অ’ভিযোগ দিলে ত’দ’ন্ত সা’পেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Back to top button