জাতীয়

সেলিম চেয়ারম্যানকে ৫০ লাখ টাকা জ’রিমানা

জাল নথি ও ভু’য়া কাগজপত্র ব্যবহার করে ভিত্তিহীন রিট করে আ’দা’লতের সময় নষ্ট করায় চাঁদপুরের বিতর্কিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিম খানকে ৫০ লাখ টাকা জ’রিমানা করেছেন হা’ই’কো’র্ট।

অ’পর দুই রিট’কারী আব্দুল কাদের ও জুয়েলকে ২৫ লাখ টাকা করে জ’রিমানা করা হয়েছে। জ’রিমানার টাকা আগামী দুই মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি আশফাকুল ই’স’লা’ম ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হা’ই’কো’র্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আ’দা’লতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নাসিম ই’স’লা’ম রাজু।এর আগে প্রস্তাবিত চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযু’ক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণে অধিগ্রহণের জন্য জমির মূল্যহার পরীক্ষায় কমিটি গঠন এবং ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রায় ১৯৪ কোটি টাকার প্রাক্কলনের বৈধতা নিয়ে করা রিটের শুনানি শেষ হয়।

এদিকে প্রায় ১৯৪ কোটি টাকার প্রাক্কলন প্রস্তুত নিয়ে আ’প’ত্তি জানিয়ে জে’লা প্রশাসনের প্রাক্কলন সংশোধন চেয়ে গত বছরের নভেম্বরে ভূমি মন্ত্রণালয়ে আবেদন দেন চাঁদপুর সদর উপজে’লার ১০ নম্বর লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম খান ও অন্যরা। পরে মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে জে’লা প্রশাসনের কাছে ব্যাখ্যা জানতে চায়। চাঁদপুর জে’লা প্রশাসন ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিবেদন পাঠায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৌজা দর ধরে জমি অধিগ্রহণের দাম নির্ধারণ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে ৬২ একর জমির জন্য (মূল দামের তিন গুণ ধরে) সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১৯৪ কোটি টাকা। কিন্তু হঠাৎ উচ্চ মূল্য দেখিয়ে যেসব দলিল করা হয়েছে, সেটা আমলে নিলে সরকারকে ৫৫৩ কোটি টাকা দিতে হবে। অর্থাৎ সরকারকে অ’তিরিক্ত দিতে হবে ৩৫৯ কোটি টাকা।

এ অবস্থায় চাঁদপুর জে’লা প্রশাসনের ১৪ অক্টোবরের (মূল্যহার পরীক্ষায় কমিটি গঠন) এবং ৪ নভেম্বরের (১৯৪ কোটা টাকা প্রাক্কলন) স্মা’রকের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সেলিম খান ও তার ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তি হা’ই’কো’র্টে পৃথক রিট করেন। গত বছর করা পৃথক রিটে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইনের ৯(১) (ক) ধারা অনুযায়ী প্রাক্কলন নির্ধারণের নির্দেশনাও চাওয়া হয়। সেলিম খানের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর হা’ই’কো’র্ট রুল দেন। অ’পর রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ৩০ নভেম্বর হা’ই’কো’র্ট রুল দেন। পৃথক রিটের (রুল) ওপর একসঙ্গে শুনানি হয়।

Back to top button