জাতীয়

সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস চাকরিচ্যুত

অসদাচরণ-পলায়নের কারণে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ই’স’লা’ম নাহিদের তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মক’র্তা মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিভাগীয় মা’ম’লার পর দীর্ঘদিন ধরে যাচাই-বাছাইসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

সোমবার (১৩ জুন) মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈকে চাকরিচ্যুত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।চাকরি থেকে বরখাস্ত করার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল থেকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। এ কারণে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী, অসদাচরণ ও পলায়নের অ’ভিযোগে তার বি’রু’দ্ধে বিভাগীয় মা’ম’লা করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব না দেওয়ায় বিধি অনুযায়ী বিষয়টি ত’দ’ন্তের সিদ্ধান্ত হয়। ত’দ’ন্তে মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈর বি’রু’দ্ধে আনা অসদাচরণ ও পলায়নের অ’ভিযোগ স’ন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশ তার স্থায়ী ও কর্মস্থলের ঠিকানায় পাঠানো হলে ‘প্রাপক দেশে নেই’ বলে ডাক বিভাগ খামের গায়ে লাল কালি দিয়ে লিখিতভাবে জানায়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, যেহেতু মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈয়ের বি’রু’দ্ধে আনা অ’ভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তাই বিধি অনুযায়ী গুরুদ’ণ্ড হিসেবে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সরকারি কর্ম কমিশনও একমত পোষণ করেছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ই’স’লা’ম নাহিদ ২০০৯ সালে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর দীর্ঘদিন তার এপিএসের দায়িত্ব পালন করেন মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ। তখনই তার বি’রু’দ্ধে বিভিন্ন ধরনের অ’ভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈকে এপিএসের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

শিক্ষা ক্যাডারের একাধিক কর্মক’র্তা জানিয়েছেন, মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ অনুমতি না নিয়ে যু’ক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

 

Back to top button