জাতীয়

এসআই হাসানের জামিন বাতিলের দাবি রায়হানের মায়ের

সিলেটের বন্দর বাজার পু’লিশ ফাঁড়িতে যুবক রায়হানকে পি’টি’য়ে হ’ত্যা মা’ম’লার অন্যতম আ’সা’মি এসআই হাসান উদ্দিনের জামিন বাতিল চেয়েছেন নি’হ’তের মা সালমা বেগম।

তিনি বলেন, এ মা’ম’লার আ’সা’মিদের কারো জামিন হওয়া মানে আম’রা নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়া। হাসান প্রধান আ’সা’মি আকবরকেও পালাতে সাহায্য করেছিল, সিসি ক্যামেরার ফুটেজও গায়েব করেছিল। নতুবা এ মা’ম’লার বিচারপ্রক্রিয়া অনেকদূর অগ্রসর হতো।

মঙ্গলবার বহুল আ’লো’চি’ত এ হ’ত্যা মা’ম’লার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সালমা বেগম গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব কথা বলেন।

দুপুরে বহুল আ’লো’চি’ত এই হ’ত্যা মা’ম’লার সাক্ষ্যগ্রহণকালে কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়া, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদ।

গত ১১ মে নি’হ’ত রায়হানের স্ত্রী’র হ’ত্যা মা’ম’লার বাদী তাহমিনা আক্তার তান্নীর সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে এ মা’ম’লার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। গত ১৮ এপ্রিল সিলেট মহানগর দায়রা জজ আ’দা’লতের বিচারক মো. আবদুর রহিম ৬ আ’সা’মির বি’রু’দ্ধে অ’ভিযোগ গঠন করেন। মা’ম’লায় ৬৯ জন সাক্ষী রয়েছেন।

এদিকে সিলেট মহানগর আ’দা’লতের দায়রা জজ আ’দা’লতের বিচারক মো. আব্দুর রহিম রায়হানের মা সালমা বেগম ছাড়াও আরও ৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এ নিয়ে মা’ম’লায় ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হলো। বুধ ও বৃহস্পতিবারও এ মা’ম’লার সাক্ষ্যগ্রহণ হবে বলে জানিয়েছেন আ’দা’লতের পাবলিক প্রসিকিউটর নওশাদ আহম’দ চৌধুরী।

তিনি জানান, আ’লো’চি’ত রায়হান হ’ত্যা মা’ম’লায় উচ্চ আ’দা’লত হাসানের জামিন দিয়েছেন। এ বিষয়ে আমা’র কোনো বক্তব্য নেই। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, হাসানের জামিন বাতিলের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেট নগরের আখালিয়ার বাসিন্দা রায়হান উদ্দিনকে ধরে নিয়ে বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়িতে নি’র্যা’তন করা হয়। পরদিন ১১ অক্টোবর তার লা’শ পাওয়া। এ ঘটনায় নি’হ’তের স্ত্রী’ তাহমিনা আক্তার তান্নী কোতোয়ালি থা’নায় পু’লিশ হেফাজতে মৃ’ত্যু নিবারণ আইনে মা’ম’লা দায়ের করেন। মা’ম’লা’টি প্রথমে পু’লিশ ত’দ’ন্ত করে। এরপর ওই বছরের ১৩ অক্টোবর পিবিআইতে স্থা’নান্তর হয়।

গত বছরের ৫ মে মা’ম’লার ত’দ’ন্ত কর্মক’র্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক আওলাদ হোসেন ১ হাজার ৯০০ পৃষ্ঠার অ’ভিযোগপত্র আ’দা’লতে দাখিল করেন। পরবর্তীতে মা’ম’লার অ’ভিযোগপত্রে বন্দরবাজার পু’লিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটুচন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদ এবং কথিত সাংবাদিক আব্দল্লাহ আল নোমানকে অ’ভিযু’ক্ত করা হয়। অ’ভিযু’ক্ত পাঁচ পু’লিশ সদস্য কারাগারে থাকলেও উচ্চ আ’দা’লত থেকে হাসান জামিন পেয়েছেন এবং নোমান এখনো পলাতক।

Back to top button