জাতীয়

সিলেট-সুনামগঞ্জের সব বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বন্ধ

সিলেটে ব’ন্যা পরিস্থিতির ক্রমে অবনতি হচ্ছে। শুক্রবার অনেক স্থানে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র ও বৈদ্যুতিক খুঁটি তলিয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এবার সিলেট সুনামগঞ্জে সব বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। ছাতক ও সুনামগঞ্জ গ্রিড উপকেন্দ্র পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়েছে। সুনামগঞ্জ জে’লা ও সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন।

এ অবস্থায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের প্রায় বেশিরভাগ গ্রাহক বিদ্যুৎহীন রয়েছেন।সিলেটের কুমা’রগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্রের সুইচইয়ার্ড প্লাবিত হওয়ায় শ’ঙ্কা বৃহস্পতিবার থেকে চলছিল। এটি বন্ধ হওয়া মানে গোটা সিলেট অঞ্চলও বিদ্যুৎ সরবরাহ।

আর ২৪ ঘণ্টা না যেতে তা-ই ঘটল। কুমা’রগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্রে পানি উঠে যাওয়ায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জে’লার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদের জানিয়েছেন, শনিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।তিনি বলেন, পানি উঠে যাওয়ায় আপাতত উপকেন্দ্রটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আম’রা চেষ্টা করছি, পানি সেচে দ্রততম সময়ের মধ্যে এটি আবার চালু করতে। এ গ্রিড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো সিলেট ও সুনামগঞ্জ জে’লা এখন বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।এক সংবাদ বি’জ্ঞ’প্তিতে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাময়িক এই অ’সুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সিলেট অঞ্চলের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ধৈর্য ধ’রার অনুরোধ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে জে’লা শহরে বিদ্যুৎ নেই। সকাল ৯টার দিকেও আসেনি বিদ্যুৎ। দুর্ভোগে মাত্রা যোগ করেছে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কহীনতা। জে’লা শহরে বৃহস্পতিবার রাত ৩টা থেকে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সূত্রে জানা গেছে, বাসাবাড়ির মিটার পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় নগরের উপশহর এলাকায় বৃহস্পতিবার থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। দক্ষিণ সুরমা বিদ্যুতের সাবস্টেশনে পানি ওঠায় পুরো দক্ষিণ সুরমা উপজে’লায় বৃহস্পতিবার থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে।

সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ ও ২-এর জেনারেল ম্যানেজার দীলিপ চন্দ্র চৌধুরী ও সঞ্জীব কুমা’র রায় শুক্রবার জানিয়েছিলেন, সমিতির সিলেট-১-এর অধীন ৪ লাখ ১৩ হাজার গ্রাহকের মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার গ্রাহক এবং সিলেট-২-এর অধীন ২ লাখ ১২ হাজার গ্রাহকের মধ্যে অন্তত ৯০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন আছেন।

Back to top button