জাতীয়

২০ ঘণ্টা আগেই ট্রেনের টিকিটের জন্য অ’পেক্ষা!

ট্রেনে ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রথম দিনের কার্যক্রম শেষ হয়েছে শুক্রবার (১ জুলাই)। অনেকেই টিকিট পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

কেউ-কেউ ফিরে গেছেন টিকিট না পেয়েই। এরইমধ্যে ৬ জুলাইয়ের টিকিট কেনার জন্য অ’পেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেক যাত্রীকে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয় আজ। শুক্রবার সকাল ৮টায় কমলাপুরসহ রাজধানীর ছয়টি এবং জয়দেবপুর রেলস্টেশনের কাউন্টার, ওয়েবসাইট ও রেল সেবা (অথরাইজড) অ্যাপে একযোগে টিকিট বিক্রি শুরু হয়। এ কার্যক্রম চলবে আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত।

বিচ্ছিন্নভাবে বিশৃঙ্খলা, অ’পেক্ষা এবং অ’ভিযোগের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এরমধ্যেই প্ল্যাটফর্মের মেঝেতে কাগজ বিছিয়ে ৬ জুলাইয়ের টিকিটের জন্য অ’পেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেক যাত্রীকে।

যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে ফিরোজ নামের একজন এসেছেন টিকিটের জন্য, তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজে’লায়। ফিরোজ এসেছেন ৬ জুলাইয়ের দিনাজপুর অ’ভিমূখী ট্রেনের টিকিট কা’টার জন্য। বেলা সাড়ে ১২টা থেকেই অ’পেক্ষা করতে দেখা গেছে তাকে। বললেন, আগেভাগেই অ’পেক্ষা করছি, যাতে টিকিটটা সহ’জে পাই।

কথা হয় অ’পেক্ষারত আরেক যাত্রী মহিদুলের সঙ্গে। রংপুরের বাসিন্দা মহিদুল ৭ জুলাইয়ের অগ্রিম টিকিটের জন্য অ’পেক্ষা করছেন টিকিট কাউন্টারের সম্মুখভাগের উপরে বসেই। কারণ জানতে চাইলে স্মিতহাস্য মুখে বললেন, এখন তো টিকিট বিক্রয় বন্ধ। আম’রা ৩ বন্ধু এসেছি। বির’ক্ত হয়ে অগত্যা এখানে বসেছি।

এদিকে, আজকের মত আগামীকালও (২ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে টিকিট বিক্রি শুরু হবে বলে বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার। কাউন্টারের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন যাত্রীরা।

বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, এবার রাজধানী থেকে প্রতিদিনের জন্য ২৬ হাজার ৭১৩টি আসনের টিকিট বিক্রি করা হবে। এসব টিকিটের ৫০ শতাংশ রেলস্টেশনের কাউন্টারে এবং ৫০ শতাংশ অনলাইনে বিক্রি করা হবে।

Back to top button