জাতীয়

ড. ইউনূসের মা’ম’লা বাতিলের রুল শুনানি ১১ আগস্ট

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অ’ভিযোগে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্ম’দ ইউনূসের বি’রু’দ্ধে করা মা’ম’লা বাতিলে জারি করা রুল শুনানির জন্য ১১ আগস্ট দিন রেখেছেন হা’ই’কো’র্ট।

সোমবার বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হা’ই’কো’র্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আ’দা’লতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। ড.ইউনূসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে বুধবার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষে এ বিষয়ে পক্ষভুক্ত হওয়ার জন্য আ’দা’লতে আবেদন করা হয়। পাশপাশি দুই মাসের মধ্যে রুল নিষ্পত্তি করা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশও উপস্থাপন করা হয়।

পরে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, ড. মুহাম্ম’দ ইউনূসের যে মা’ম’লা’টি হা’ই’কো’র্ট স্থগিত করেছিলেন,সেটা সুপ্রিম কোর্টের যাওয়ার পরে সুপ্রিম কোর্ট দুই মাসের মধ্যে বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চকে নিষ্পত্তির জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। এখানে কলকারখানা অধিদপ্তরের পক্ষে যিনি মা’ম’লা’টি দায়ের করেছিলেন সেই রুল থাকা অবস্থায় তিনি মা’রা গেছেন। এখন যিনি এই মা’ম’লার দায়িত্বে আছেন তার পক্ষ মা’ম’লা’টি পরিচালনার জন্য একটি দরখাস্ত দাখিলের অনুমতি চেয়েছিলাম। আর আ’দা’লতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি যেহেতু আপিল বিভাগের নির্দেশনা রয়েছে দুই মাসের মধ্যে মা’ম’লা’টি নিষ্পত্তি করার জন্য। সেই আদেশের অনুলিপি আম’রা আ’দা’লতের কাছে দাখিল করলাম।

আ’দা’লত বুধবার হলফনামা করার জন্য অনুমতি দিয়েছিলেন। আজকে মা’ম’লা’টি তালিকায় আসার পর রুল শুনানির জন্য ১১ আগস্ট দিন রেখেছেন।গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আ’দা’লতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের বি’রু’দ্ধে এ মা’ম’লা করেন।

ড. ইউনূস ছাড়াও এমডি মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহ’জাহানকে মা’ম’লায় বিবাদী করা হয়েছে।মা’ম’লায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেওয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪ এর ৭, ৮, ১১৭ ও ২৩৪ ধারায় অ’ভিযোগ আনা হয়।

পরে ওই মা’ম’লার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হা’ই’কো’র্টে আবেদন করা হয়।গত বছরের ১২ ডিসেম্বর হা’ই’কো’র্ট মা’ম’লার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল দিয়েছিলেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে মা’ম’লা বাতিলে জারি করা রুল ১৩ জুন দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সময় পর্যন্ত মা’ম’লার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

ওইদিন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন জানান, আইন অনুসারে শ্রমিক কর্মচারীদের বোনাস না দেওয়ায় এই মা’ম’লা দায়ের করা হয়। পরে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১এ ধারায় (মা’ম’লা বাতিলের আবেদন) হা’ই’কো’র্টে আবেদন করেন। হা’ই’কো’র্ট বিভাগ রুল জারি করে মা’ম’লার কার্যক্রম স্থগিত করেন। এর বি’রু’দ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে দুই মাসের মধ্যে হা’ই’কো’র্টে রুল নিষ্পত্তি করতে বলেছেন। আর এই সময় পর্যন্ত মা’ম’লার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

Back to top button