জাতীয়

জায়গা-জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জের ধরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লার মুছাপুর ইউনিয়নে হাজেরা খাতুন (৩৫) নামে গৃহবধূকে হ’ত্যার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। দাফনের আগে দেখা তার শরীরে আ’ঘাতের চিহ্ন দেখে থা’নায় খবর দেওয়া হয়।

গৃহবধূর লা’শ স্বামীর বাড়ি থেকে পিতার বাড়িতে নিয়ে দাফন কার্যের পূর্বে আ’ঘাতের চিহ্ন দেখে থা’নায় সংবাদ দেওয়ার পর পু’লিশ লা’শটি কোম্পানীগঞ্জ থা’নায় নিয়ে আসে। লা’শ থা’নায় আনার সংবাদ পেয়ে অ’ভিযু’ক্ত নি’হ’ত হাজেরার দেবরসহ তার পরিবারের লোকজন বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার সকালে ময়নাত’দ’ন্তের জন্য নি’হ’ত হাজেরা খাতুনের ম’রদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতা’লে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার মুছাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে চৌধুরী বাজার এলাকার আবদুল সালেহ আহাম্ম’দ মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নি’হ’ত হাজেরা খাতুন ওই এলাকার আবদুল সালেহ আহাম্ম’দ মিয়ার বাড়ির মাহফুজুল হকের স্ত্রী’। তার ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা পড়ুয়া এক ছে’লে রয়েছে।

নি’হ’তের ভাই মো. ইসমাইল হোসেন অ’ভিযোগ করে বলেন, আমা’র বোন হাজেরা খাতুন ঘরে একা থাকতেন। সোমবার সকালে তার মৃ’ত্যুর সংবাদ শুনে ওই বাড়িতে গেলে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আবার কেউ স্ট্রোকে মা’রা গেছে বলে জানায়। ঘরের মেঝেতে অস্বাভাবিক র’ক্ত দেখে বিষয়টি স’ন্দেহ হলে ও স্থানীয়দের চাপে লা’শ দাফনের জন্য আমাদের বাড়ি (নি’হ’ত গৃহবধূর পিত্রালয়) কবিরহাটের সোনাদিয়া গ্রামে নিয়ে যাই। সেখানে দাফনের পূর্বে লা’শে অসংখ্য আ’ঘাতের চিহ্ন দেখে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিনকে জানালে তিনি পু’লিশে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ থা’নার পু’লিশ হাজেরার লা’শ সোমবার রাতে থা’নায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থা’নায় একটি অ’ভিযোগ দিয়েছেন বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও অ’ভিযোগ করে বলেন, তার বোন নি’হ’ত হাজেরা ও তার স্বামী মাফুজুল হক মানিককে জায়গা জমির বিরোধে কয়েকবার মা’রধর করেছিল নি’হ’ত হাজেরার দেবর, স্ত্রী’ ও ছে’লে। এনিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বিচার হয়।

নি’হ’তের স্বামী মাহফুজুল হক মানিক বলেন, আমি বাংলাবাজার মাদ্রাসায় দারোয়ানের চাকরি করি। আমা’র ছে’লেকেও ওই মাদ্রাসায় আবাসিকে রেখে পড়ালেখা করাই। আমা’র ভাই রইসুল হক মিলন, তার স্ত্রী’ লাকি আক্তার ও ছে’লে তারেকসহ সম্পত্তির বিরোধে আগেও কয়েকবার আমাকে ও আমা’র স্ত্রী’কে পি’টি’য়ে হাসপাতা’লে পাঠিয়েছে। আমা’র স্ত্রী’র মৃ’ত্যু নিয়ে আমা’র ভাই, তার স্ত্রী’ লাকি আক্তার ও তাদের ছে’লে হ’ত্যা করেছে বলে স’ন্দেহ হচ্ছে।

মঙ্গলবার ওই বাড়িতে গেলে অ’ভিযু’ক্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে লা’শ উ’দ্ধা’রের সময় অ’ভিযু’ক্তরা সবাই বাড়িতে ছিল। পরে লা’শ থা’নায় নেওয়ার খবর শুনে তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।কোম্পানীগঞ্জ থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান জানান, লা’শ উ’দ্ধা’র করে থা’নায় অ’পমৃ’ত্যু মা’ম’লা রুজু করা হয়েছে। ময়নাত’দ’ন্তের পর বিষয়টি ত’দ’ন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Back to top button