জাতীয়

এক জে’লা থেকে আরেক জে’লায় মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ চায় টাস্কফোর্স

এক জে’লা থেকে আরেক জে’লায় মোটরসাইকেল চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ চায় সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা জো’রদারকরণ এবং দু’র্ঘ’ট’না নিয়ন্ত্রণে সুপারিশ প্রণয়ন সংক্রান্ত কমিটির ১১১ দফা সুপারিশমালা বাস্তবায়নের জন্য গঠিত টাস্কফোর্স।

দু’র্ঘ’ট’নায় প্রা’ণহানি কমাতেই আন্তঃজে’লা ও মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ রাখার পক্ষে সুপারিশ করেছে টাস্কফোর্স।

বুধবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সভা শেষে টাস্কফোর্সের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কা’মাল।

এ ব্যাপারে শাজাহান খান বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, দূরপাল্লায়, আন্তজে’লা (এক জে’লা থেকে আরেক জে’লায়) রাইড শেয়ারিং হবে না। আজকের সভাতেও এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, ৪০ শতাংশ দু’র্ঘ’ট’না হয় মোটরসাইকেলে। সুতরাং সেটিকে নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

মোটরসাইকেলের বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত কি স্থায়ীভাবে নেওয়া হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান বলেন, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এখন পর্যন্ত তা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত আছে।

গত ঈদের ছুটিতে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত শুরুর আগে আন্তজে’লায় মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। তবে এখনো এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার হয়নি।

টাস্কফোর্সের আজকের সভায় আরও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চালকেরা মা’দ’কাসক্ত কি না, তা পরীক্ষা (ডোপ টেস্ট) করে লাইসেন্স নবায়ন বা নতুন লাইসেন্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত আছে। তবে দ্রুততার সঙ্গে ডোপ টেস্ট করা যাচ্ছে না।

কারণ এই পরীক্ষার জন্য মাত্র কয়েকটি কেন্দ্র আছে বলে জানা গেছে। এ জন্য এসব কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো এবং পরীক্ষা ফি ৯০০ টাকা থেকে কমানোর সুপারিশ করেছে টাস্কফোর্স।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) শূন্য পদগুলো পাঁচ মাসের মধ্যে পূরণ করার নির্দেশ দিয়েছে টাস্কফোর্স। বর্তমানে বিআরটিএর ৯৩১ জন জনবল কাঠামো রয়েছে। এর মধ্যে ১২২টি পদ শূন্য। এ ছাড়া হাইওয়ে পু’লিশ ও ট্রাফিক পু’লিশের সংখ্যা বাড়ানো, মানসম্মত হেলমেট নিশ্চিত করার জন্য বিএসটিআইয়ের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

Back to top button