{{ news.section.title }}
জানুন ভোট বাতিল বা স্থগিত হতে পারে যেসব কারনে
রাত পোহালেই দেশে বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশব্যাপী চাঁদরাতের মতো আবহাওয়া বিরাজ করছে।সবার নজর ভোটদান, ফলাফল এবং ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে। প্রতিবছর ভোটের দিন দেশের শতাধিকেরও বেশি কেন্দ্রে ফলাফল বাতিল বা ভোটগ্রহণ স্থগিত হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। চলুন জেনে নিই যেসকল কারনে হতে পারে আপনার আসন বা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল।
২০২৬ সালের সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী ভোট বাতিল বা স্থগিত হওয়ার যেসকল নীতি গ্রহণ করেছে ইসি:
সহিংসতা ও বাধা: ভোটকেন্দ্র দখল, মারামারি, ককটেল বা বোমা হামলা, গুলিবর্ষণ, ব্যালট ছিনতাই কিংবা ভাঙচুরের মতো সহিংসতার ঘটনা ঘটলে ভোটগ্রহণ অব্যাহত রাখা সম্ভব হয় না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রিসাইডিং অফিসার তাৎক্ষণিকভাবে ভোট স্থগিত করতে পারেন। পরে তদন্ত শেষে অনেক ক্ষেত্রে কমিশন পুনরায় ভোটের সিদ্ধান্ত দেয়।
ব্যালট পেপারে ত্রুটি ও কারচুপি: ব্যালট পেপার নষ্ট বা হারিয়ে গেলে ভোটের সঠিকতা নিশ্চিত করা যায় না। আইন অনুযায়ী, এমন অবস্থায় ওই কেন্দ্রের ফলাফল গ্রহণযোগ্য থাকে না। এ ছাড়া বুথ দখল করে একযোগে জালভোট প্রদান, একজনের একাধিকবার ভোট দেওয়া কিংবা সংঘবদ্ধ কারচুপি ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ নির্বাচনের পরিপন্থী। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে ফলাফল বাতিল করা হয়।
ভীতি প্রদর্শন: ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া, হুমকি বা জোরপূর্বক ভোটদানে প্রভাব বিস্তার করাও ভোট বাতিলের কারণ হতে পারে। এসব পরিস্থিতি ভোটারদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন করে এবং ভোটগ্রহণের পরিবেশ নষ্ট করে।
কর্মকর্তাদের গাফিলতি: কখনো কখনো প্রিসাইডিং অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, ইচ্ছাকৃত ত্রুটি, ফলাফল পরিবর্তন বা নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনাও সামনে আসে। কর্মকর্তার কারচুপি প্রমাণিত হলে সেই কেন্দ্রের ভোট বাতিল হতে পারে।
প্রযুক্তিগত ও কারিগরি ত্রুটি: প্রযুক্তিগত ত্রুটিও একটি বড় কারণ। ব্যালট পেপার ভুল ছাপা, সিল বা সরঞ্জামের সমস্যা, ইভিএম বিকল হওয়া কিংবা ডেটা গরমিলের মতো ঘটনায় ভোট স্থগিত বা বাতিলের নজির রয়েছে।
ভোটারের নিরাপত্তা ঝুঁকি: কোনো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ভোটার ও কর্মকর্তাদের জীবন-ঝুঁকি তৈরি হয়। এমন অবস্থায় নিরাপত্তার স্বার্থে ভোটগ্রহণ বন্ধ করার ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কর্মকর্তাদের। এ ছাড়া কোনো প্রার্থীর অভিযোগ বা রিটের ভিত্তিতে আদালত ভোট বা ফলাফল স্থগিতের নির্দেশ দিলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র বা আসনের ভোটও বাতিল বা স্থগিত করা হয়।