{{ news.section.title }}
রাজশাহী বিভাগে কে কোন আসনে কতো ভোটে জয় পেলো, দেখুন পূর্ণাঙ্গ তালিকা
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৪২,৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ সংঘটিত হয়েছিল। একই দিনে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশব্যাপী গণভোটও আয়োজন করা হয়েছিল, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
কেন্দ্রগুলোতে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি দৃশ্যমান ছিল। প্রথমবার ভোট দেওয়া নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ নির্বাচনী পরিবেশে আলাদা মাত্রা যোগ করেছিল। রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে নাগরিকরা উৎসাহ নিয়ে ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছিল।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৫ জন। এর মধ্যে গণভোটে অংশ নিয়েছিলেন ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার। ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট পেয়েছিল ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। এতে স্পষ্ট ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ পক্ষ বিজয়ী হয়েছিল।
অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করেছিল। জামায়াত জোট পেয়েছিল ৭৭টি আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি এবং অন্যান্যরা ১টি আসনে বিজয় অর্জন করেছিল।
নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজনের এই অভিজ্ঞতা দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল, যেখানে ভোটারদের অংশগ্রহণ ও জনরায় ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছিল।
রাজশাহী বিভাগের জেলাসমূহ
রাজশাহী
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১৬০টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন জামায়াত ইসলামের প্রার্থী মজিবুর রহমান। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শরিফ উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৭০২ ভোট। এই আসনে ১ হাজার ৮৮৪ ভোটে জামায়াত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১১৬টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে জয় পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। এই আসনে ২৮ হাজার ১৭৬ ভোটে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১৩০টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট। এই আসনে ৩৮ হাজার ৩৯১ ভোটে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১২২টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবদুল বারী সরদার। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ ভোট। এই আসনে ৫ হাজার ৭৬৫ ভোটে জামায়াত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া দুর্গাপুর) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১৩২টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৪৫ ভোট। এই আসনে ৭৯ হাজার ৯৮০ ভোটে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী।
রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১২০টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট। এই আসনে ৫৫ হাজার ৭০৭ ভোটে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
নাটোর
নাটোর-১ আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৪১৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪১৯ ভোট।
নাটোর-২ আসনের ১৫৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪২টির ফলাফলে বিএনপির অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৩৯ ভোট।
নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপির অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী দাউদার মাহমুদ পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৩০৯ ভোট।
নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনে বিএনপির আব্দুল আজিজ পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৭১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭ ভোট।
নওগাঁ
নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) ভোটকেন্দ্র ১৬৬টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মোস্তাফিজুর রহমান ধানের প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহা. মাহবুবুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়েছে।
নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) ভোটকেন্দ্র ১২৪টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. এনামুল হক ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম সামসুজ্জোহা খান ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩।
নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) ভোটকেন্দ্র ১২৪টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মো. ফজলে হুদা ধানের শিষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছে।
নওগাঁ-৪ (মান্দা) ভোটকেন্দ্র ১১৭। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ইকরামুল বারী টিপু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাকিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়েছে।
নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) ভোটকেন্দ্র ১১৮টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, জাহিদুল ইসলাম ধলু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু সাদাত মো. সায়েম ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট পেয়েছে।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) ভোটকেন্দ্র ১১৫টি আসন। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, শীষ প্রতীকে শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ১ লাখ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খবিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট পেয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে ২লাখ ৬৮হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ড. কেরামত আলী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান মিঞা পেয়েছেন ১লাখ ৬২হাজার ৫১৫ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির মোহা. আফজাল হোসেন পেয়েছেন ২হাজার ২৬৩ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আব্দুল হালিম ৫৫ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ১হাজার ৮৩ ভোট ও ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা পেয়েছেন ৪৪৬ ভোট। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছেন ২লাখ ২৫হাজার ৯৩৩জন এবং ‘না’ দিয়েছেন ১লাখ ২০হাজার ৬৮জন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান ১লাখ ৭১হাজার ২২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ১লাখ ৫৫হাজর ১১৯ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির মো. সাদেকুল ইসলাম পেয়েছেন ৬২৬ ভোট, জাতীয় পার্টির মু. খুরশিদ আলম পেয়েছেন ৮হাজার ১৭৫ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইব্রাহিম খলিল পেয়েছেন ১হাজার ৬৯ ভোট। এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা ‘ দিয়েছেন ২লাখ ১৩হাজার ১৯২জন এবং ‘না’ দিয়েছেন ৯৫হাজার ৭৪৭জন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঢাকা দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল ১লাখ ৮৯হাজার ৬৪০ ভোট পেয়ে বেসকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১লাখ ২৭হাজার ৩৭ ভোট।
পাবনা
পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনে জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শামসুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৬৬৩ ভোট। এছাড়া এ আসনে ইসলামী আনন্দোলনের আব্দুল গণি ও মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রাথী তাজুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী একেএম সেলিম রেজা হাবিব ২ লাখ ১৩ হাজার ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের অধ্যাপক কেএম হেসাব ৭৫ হাজার ৯০৪ ভোট পান। হাতপাখা মাওলানা কাশেমী ৫ হাজার ৮৩২ ভোট পান।
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াত প্রার্থী আলী আছগার বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কৃষকদলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন(ধানের শীষ) ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট।
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল পাবনা জেলা জামায়াতের আমির মো. আবু তালেব মন্ডল (দাঁড়িপাল্লা) বিজয়ী হয়েছে। তিনি পেয়েছেন, ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন, ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।
পাবনা-৫ (পাবনা সদর) আসনে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ১৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৮৬ ভোট পেয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ
সিরাজগঞ্জ-১ (সদরের ৪টি ইউনিয়ন ও কাজিপুর উপজেলা) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬শত ১৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহিনুর আলম পেয়েছেন ১লাখ ৮ হাজার ৮শত ১৫ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান মাত্র ৭ হাজার ৭শত ৯৮ভোট।
সিরাজগঞ্জ-২ (সদরের ৬টি ইউনিয়ন ও কামারখন্দ উপজেলা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১লাখ ৭৭ হাজার ৫শত ৭৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭শত ৯৭ ভোট পেয়েছেন। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৩৮ হাজার ৭শত ৮১ ভোট।
সিরাজগঞ্জ- ৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪শত ৩০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মুহা. আব্দুর রউফ সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮ শত ২ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৫৭ হাজার ৬ শত ২৮ ভোট।
সিরাজগঞ্জ- ৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম খান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮শত ৭২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২শত ৭৮ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান মাত্র ৫শত ৯৪ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১লাখ ৩৪ হাজার ৯শত ৮৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলী আলম পেয়েছেন ১লাখ ৬ হাজার ৮শত ৫ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ২৮ হাজার ১শত ৮৪ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম. এ মুহিত বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫শত ৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি মনোনীত প্রার্থী এস.এম.সাইফ মুস্তাফিজ পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৮ শত ৮৪ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৬৭ হাজার ৬শত ২৪ ভোট।
বগুড়া
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম ১ লাখ ১২ হাজার ৯২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯৩৩ ভোট।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মীর শাহে আলম ৫২ হাজার ৭০৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহাদুজ্জামান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪৩৩ ভোট। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১১৪টি এবং মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৩৪০ জন।
বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি) আসনে বিএনপির আব্দুল মহিত তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নূর মোহাম্মদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৬ ভোট। তাদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ১৬ হাজার ৩৮০।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মোশাররফ হোসেন ৪৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬১৪ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬৫ ভোট। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১১৪টি এবং মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯৩ জন।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. দবিবুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৫ হাজার ৫১২।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। এ আসনে তার জয়ের ব্যবধান ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ ভোট।
বগুড়া-৭ (শাজাহানপুর-গাবতলী) আসনে বিএনপির মোরশেদ মিল্টন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের গোলাম রব্বানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ ভোট।
জয়পুরহাট
জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফজলুর রহমান সাঈদ। ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ রানা প্রধান ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৯ ভোট। এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ফজলুর রহমান সাঈদ ৯ হাজার ৮৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।
জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল ও কালাই) আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আব্দুল বারী। তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫১৭ ভোট। ফলে ৬৫ হাজার ৫৪৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বারী।