{{ news.section.title }}
ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, যা বলল ইসি
স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পালানোর সাথে সাথে আ.লীগ থেকে নির্বাচিত ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়।এরপরই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদগুলো শুন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দিলেও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব পান ড.শাহাদাত।১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে গতোকাল দায়িত্ব গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার।
দায়িত্ব গ্রহণের দিনই এই তিন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ।ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আয়োজন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠিগুলো কমিশনে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের পাঠানো আলাদা দুটি চিঠিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ২০২০ সালের দুই জুন। সেই হিসেবে গত বছরের এক জুন এই সিটির পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে।
অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয়েছিল ২০২০ সালের তিন জুন, যার মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের দুই জুন। চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রথম ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়, সেই হিসেবে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি এই পদটিও শুন্য হবে। তাই এই তিন সিটিতে নির্বাচনে আর নেই বাঁধা। স্থানীয় সরকার সুত্রে জানিয়েছে ইসিকে আমরা চিঠি দিয়েছি, ইসি নির্বাচনের বিষয়ে পরিকল্পনা আমাদেরকে জানালে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচনের তারিখ ও বিস্তারিত বিষয় জানানো।তবে খুব শীঘ্রই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেন জানান একাধিক সুত্র।