{{ news.section.title }}
ঢাকার যে দুইটি আসন সব চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, সতর্ক সেনাবাহিনী
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
রাত পোহালেই দেশে নির্বাচন। আর নির্বাচন কে ঘিরে চলছে নিরাপত্তা জোরদার । বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার নিরাপত্তা স্বাভাবিক থাকলে ও ভয় রয়েছে ঢকার দুইটি আসন নিয়ে।
ঢাকা-১৪, ১৬ ও ১৮ আসনের মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ১৮ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিরপুর ক্যাম্প কমান্ডার লে. কর্নেল এস এম ফুয়াদ মাসরুর। এর মধ্যে ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসনকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা-১৪, ১৬ ও ১৮ এই তিন আসনের সার্বিক নিরাপত্তা ও নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
লে. কর্নেল এস এম ফুয়াদ মাসরুর বলেন, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে আসা-যাওয়া নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রগুলোকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, মধ্যম ও সাধারণ শ্রেণিতে ভাগ করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকালে যেকোনো বিশৃঙ্খলা বা নাশকতার তথ্য প্রচারের আগে সাংবাদিকদের প্রাথমিক যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে ভুল তথ্য বা উসকানিমূলক সংবাদ পরিবেশন না হয়।
সেনাবাহিনী নির্বাচনে প্রার্থীদের পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করবে জানিয়ে, কোথাও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধও করেন তিনি।ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। দুজনেই রয়েছেন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে।
ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থীরা হলেন: বিএনপির মো. আমিনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল বাতেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মোহাম্মাদ তৌহিদুজ্জামান, মুক্তিজোটের আব্দুল কাদের জিলানী, গণঅধিকার পরিষদের মো. মামুন হোসেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন, এনপিপির মো. তারিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির মো. নাজমুল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের রাশিদুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির সুলতান আহম্মেদ সেলিম।