{{ news.section.title }}
ডাক্তার না হয়েও নামের আগে ডাক্তার ব্যবহার, জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনকে শোকজ করেছেন আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কমিটির দায়িত্ব পালনকারী যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা
এর আগেও আরেক জামাত নেতা নামের আগে মুক্তিযোদ্ধা ব্যবহার করায় তাঁকে শোকজ করা হয়ে ছিলো। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ শোকজ করা হয়। তবে প্রার্থীর দাবি ‘ডা.’ পদবি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও সম্মানহানির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এবং তিনি এর পতিবাদ জানান।নোটিশে উল্লেখ করা হয়, জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তার নামের আগে ডা. পদবি ব্যবহার করছেন। কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ডা. পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যেহেতু হলফনামায় ডা. ব্যবহার করেননি তাহলে এখন ব্যবহার করার কোন যুক্তি দেখছি না।
এতে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিককে ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন, শোকজ ও শাস্তি নির্বাচনি প্রক্রিয়ার অংশ। অভিযোগ এবং শোকজ করলে তা অভিযোগ প্রমাণিত হয় না। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুঝতে অথবা জানতে না পারলে তা সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য শোকজ করেন। শুনানিতে তা সমাধান হয়। ‘ডা.’ পদবি নিয়ে যে অর্থে মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার করা হচ্ছে, তা একটি সেটেল্ড ইস্যু। আমার বিজয়ের সম্ভাবনায় ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে প্রতিপক্ষ এই ষড়যন্ত্র এবং কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন। অচিরেই তাদের ষড়যন্ত্র ব্যার্থতায় পর্যবসিত হবে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ দেয়া হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। তাঁকে আজকে ডাকা হয়েছে