৩০০ আসনে কে কত ভোটে জিতলো, দেখুন পূর্ণাঙ্গ তালিকা

৩০০ আসনে কে কত ভোটে জিতলো, দেখুন পূর্ণাঙ্গ তালিকা
  • Author,
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ভোটাররা উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের রায় প্রদান করেন।

এবার মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৫। গণভোটে মতামত পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। জনরায়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে ‘হ্যাঁ ভোট।’ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২ টি আসন, জামায়াত জোট পেয়েছে ৭৭ টি আসন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছে ৭ টি আসন এবং অন্যান্যরা পেয়েছে ১ টি।

পঞ্চগড়-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট।  

পঞ্চগড়-২ আসনে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে বিএনপির পল্লি উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী সফিউল আলম সুফি। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ৬০৮ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-১ এ আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন (জামায়াত) ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮১ ভোট। এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৩ জন।

ঠাকুরগাঁও-২ ঠাকুরগাঁও-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা আব্দুল হাকিম (জামায়াত), দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট। ঠাকুরগাঁও-৩ এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান জাহিদ ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিজানুর রহমান (জামায়াত), দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পেয়েছেন ৯০ হাজার ৭৬৭ ভোট।

দিনাজপুর-১ এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনজুরুল ইসলাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৮১ ভোট। মনজুরুল ইসলাম ৬১ হাজার ৮৩৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেন।

দিনাজপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এ কে এম আফজালুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৮৮৭ ভোট। এখানে ধানের শীষের প্রার্থী ৩৪ হাজার ৭৩৫ ভোটের ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে পরাজিত করেন।

  দিনাজপুর-৩ এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ১ লাখ ৪০ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৯ ভোট। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল হাড্ডাহাড্ডি, জয়ের ব্যবধান মাত্র ৪ হাজার ৩৬৯ ভোট।

দিনাজপুর-৪ দিনাজপুর-৪ আসনে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থী আখতারুজ্জামান মিয়া। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আফতাব উদ্দিন মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৬ ভোট। আখতারুজ্জামান ৩৭ হাজার ৬৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

দিনাজপুর-৫ এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী তৃতীয় অবস্থানে চলে গেলেও জয় পেয়েছেন দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী ও সাবেক জেলা বিএনপির সভাপতি এ জেড এম রেজওয়ানুল হক। তালা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি প্রার্থী ডা. আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৫ ভোট। রেজওয়ানুল হক ৪ হাজার ২৮৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। উল্লেখ্য, এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী কামরুজ্জামান ৯৮ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়েছেন।

দিনাজপুর-৬ দিনাজপুর-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী এ জেড এম জাহিদ হোসেন ২ লাখ ৫ হাজার ১০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৭০৩ ভোট। এখানে ধানের শীষের প্রার্থী ১৪ হাজার ৪০৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৫০ হাজার ৮২৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী মো. আবদুস সাত্তার। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি–সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের খেজুরগাছের প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ ভোট। এই আসনে গণভোটের ফলাফল ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৯৮৫। ‘না’ ভোট ৯৫ হাজার ৭৮৫।

নীলফামারী-২ (সদর) আসনে ১৩৪ কেন্দ্রে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী আল ফারুক আবদুল লতীফ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪১৮ ভোট। এই আসনে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭২। ‘না’ ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ৭৮৭।

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে ১০৫ কেন্দ্রে ১ লাখ ৯ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮০৭ ভোট। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৩০। ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৬ হাজার ৬৩৮।

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে ১৬৯ কেন্দ্রে ১ লাখ ২৬ হাজার ২২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী আবদুল মুনতাকিম। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আবদুল গফুর সরকার পেয়েছেন ৮২ হাজার ৮৬ ভোট। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৯৪। ‘না’ ভোট ৫৯ হাজার ৭৭০।

লালমনিরহাট-১ আসনে ১৩৭টি কেন্দ্রের ফলাফল শেষে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির তরুণ প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৭৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৮৯ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩ হাজার ৫৬১ জন। তরুণ এই প্রার্থীর বিজয়ে পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা এলাকায় তরুণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা গেছে।

লালমনিরহাট-২ আসনে ১৫৫টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৩ ভোট। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২৩৬ ভোট।

লালমনিরহাট ৩ সদর আসনে নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় রেখে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। ৯৪টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ১০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৮৭ ভোট।

রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটির আংশিক) আসনে মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. রায়হান সিরাজী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫০ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন ধানের শীষ প্রতীকে পান ৬৯ হাজার ৪০৭ ভোট। প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পান ৭৯ হাজার ৮৬২ ভোট। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তৃতীয় স্থানে থাকেন। ১৩৭টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় এবং ২ লাখ ৫৩ হাজার ৮৭৮টি বৈধ ভোট গণনা করা হয়।

রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুবুর রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপির প্রার্থী পান ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এ আসনে তৃতীয় স্থানে নেমে যান।

 রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে জামায়াত জোটসমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপির প্রার্থীকে ৮ হাজার ৩৩১ ভোটে পরাজিত করেন।

 রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী পান ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৪ ভোট।

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জামায়াতের অধ্যাপক নুরুল আমিন ১ হাজার ৯৭১ ভোটের ব্যবধানে জয় পান। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯০ ভোট পান, আর বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম পান ১ লাখ ১৬ হাজার ৯১৯ ভোট।

 কুড়িগ্রাম–১ (নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী) আসনে ২৩১টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৬৩ হাজার ৯৭৮ জন। ঘোষিত বেসরকারি ফল অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৯০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাইফুর রহমান রানা (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ২৫ ভোট। এ আসনে ভোটের হার ৬৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

কুড়িগ্রাম–২ (সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী) আসনে ২০৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৪ হাজার ৭৩৬। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আতিকুর রহমান (শাপলা কলি) পেয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৫২৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৪০৫ ভোট। ভোটের হার ৬৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

কুড়িগ্রাম–৩ (উলিপুর) আসনে ১৪০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭০ জন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহবুবুল আলম সালেহী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৯৩০ ভোট। বিএনপির তাসভীর উল ইসলাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫২ ভোট। এ আসনে ভোটের হার ৬১ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

কুড়িগ্রাম–৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজীবপুর) আসনে ১৩০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৩ জন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ২১০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৩ ভোট। এ আসনে ভোটের হার ৬২ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

গাইবান্ধার-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে জিয়াউল ইসলাম পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল করিম ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট পেয়ে জয়লাভ হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আসাদুজ্জামান খান পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মইনুল হাসান সাদিক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী শামীম কায়সার ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আব্দুর রহিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট।

গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক আলম পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।

জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফজলুর রহমান সাঈদ। ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ রানা প্রধান ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৯ ভোট। এখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ফজলুর রহমান সাঈদ ৯ হাজার ৮৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল ও কালাই) আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আব্দুল বারী। তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫১৭ ভোট। ফলে ৬৫ হাজার ৫৪৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বারী।

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম ১ লাখ ১২ হাজার ৯২৮ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. শাহাবুদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯৩৩ ভোট।

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মীর শাহে আলম ৫২ হাজার ৭০৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহাদুজ্জামান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪৩৩ ভোট। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১১৪টি এবং মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৩৪০ জন।

বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি) আসনে বিএনপির আব্দুল মহিত তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নূর মোহাম্মদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৬ ভোট। তাদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ১৬ হাজার ৩৮০।

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মোশাররফ হোসেন ৪৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬১৪ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬৫ ভোট। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১১৪টি এবং মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৯৩ জন।

বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. দবিবুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট। তাদের ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ৫ হাজার ৫১২।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। এ আসনে তার জয়ের ব্যবধান ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ ভোট।

বগুড়া-৭ (শাজাহানপুর-গাবতলী) আসনে বিএনপির মোরশেদ মিল্টন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের গোলাম রব্বানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে ২লাখ ৬৮হাজার ৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ড. কেরামত আলী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান মিঞা পেয়েছেন ১লাখ ৬২হাজার ৫১৫ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির মোহা. আফজাল হোসেন পেয়েছেন ২হাজার ২৬৩ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আব্দুল হালিম ৫৫ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ১হাজার ৮৩ ভোট ও ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা পেয়েছেন ৪৪৬ ভোট। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছেন ২লাখ ২৫হাজার ৯৩৩জন এবং ‘না’ দিয়েছেন ১লাখ ২০হাজার ৬৮জন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান ১লাখ ৭১হাজার ২২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ১লাখ ৫৫হাজর ১১৯ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির মো. সাদেকুল ইসলাম পেয়েছেন ৬২৬ ভোট, জাতীয় পার্টির মু. খুরশিদ আলম পেয়েছেন ৮হাজার ১৭৫ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইব্রাহিম খলিল পেয়েছেন ১হাজার ৬৯ ভোট। এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা ‘ দিয়েছেন ২লাখ ১৩হাজার ১৯২জন এবং ‘না’ দিয়েছেন ৯৫হাজার ৭৪৭জন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঢাকা দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল ১লাখ ৮৯হাজার ৬৪০ ভোট পেয়ে বেসকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১লাখ ২৭হাজার ৩৭ ভোট।

নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) ভোটকেন্দ্র ১৬৬টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মোস্তাফিজুর রহমান ধানের প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহা. মাহবুবুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়েছে।

নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) ভোটকেন্দ্র ১২৪টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. এনামুল হক ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম সামসুজ্জোহা খান ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩।

নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) ভোটকেন্দ্র ১২৪টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মো. ফজলে হুদা ধানের শিষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছে।

নওগাঁ-৪ (মান্দা) ভোটকেন্দ্র ১১৭। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ইকরামুল বারী টিপু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাকিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়েছে।

নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) ভোটকেন্দ্র ১১৮টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, জাহিদুল ইসলাম ধলু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু সাদাত মো. সায়েম ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট পেয়েছে।

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) ভোটকেন্দ্র ১১৫টি আসন। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, শীষ প্রতীকে শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ১ লাখ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খবিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট পেয়েছে।

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১৬০টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন জামায়াত ইসলামের প্রার্থী মজিবুর রহমান। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শরিফ উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৭০২ ভোট। এই আসনে ১ হাজার ৮৮৪ ভোটে জামায়াত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১১৬টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে জয় পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। এই আসনে ২৮ হাজার ১৭৬ ভোটে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

 রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১৩০টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট। এই আসনে ৩৮ হাজার ৩৯১ ভোটে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

 রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১২২টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবদুল বারী সরদার। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ ভোট। এই আসনে ৫ হাজার ৭৬৫ ভোটে জামায়াত প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

 রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া দুর্গাপুর) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১৩২টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৪৫ ভোট। এই আসনে ৭৯ হাজার ৯৮০ ভোটে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী।

 রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে একটি পোস্টালসহ মোট কেন্দ্র ১২০টি। আসনটিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট। এই আসনে ৫৫ হাজার ৭০৭ ভোটে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

নাটোর-১ আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৪১৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৪১৯ ভোট।

নাটোর-২ আসনের ১৫৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪২টির ফলাফলে বিএনপির অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৩৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৭৩৯ ভোট।

নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপির অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী দাউদার মাহমুদ পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৩০৯ ভোট।

নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনে বিএনপির আব্দুল আজিজ পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৭১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-১ (সদরের ৪টি ইউনিয়ন ও কাজিপুর উপজেলা) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬শত ১৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. শাহিনুর আলম পেয়েছেন ১লাখ ৮ হাজার ৮শত ১৫ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান মাত্র ৭ হাজার ৭শত ৯৮ভোট। 

সিরাজগঞ্জ-২ (সদরের ৬টি ইউনিয়ন ও কামারখন্দ উপজেলা)  আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১লাখ ৭৭ হাজার ৫শত ৭৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলাম মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭শত ৯৭ ভোট পেয়েছেন। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৩৮ হাজার ৭শত ৮১ ভোট। 

সিরাজগঞ্জ- ৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪শত ৩০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মুহা. আব্দুর রউফ সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮ শত ২ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৫৭ হাজার ৬ শত ২৮ ভোট। 

সিরাজগঞ্জ- ৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম খান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮শত ৭২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২শত ৭৮ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান মাত্র ৫শত ৯৪ ভোট। 

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১লাখ ৩৪ হাজার ৯শত ৮৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলী আলম পেয়েছেন ১লাখ ৬ হাজার ৮শত ৫ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ২৮ হাজার ১শত ৮৪ ভোট। 

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম. এ মুহিত বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫শত ৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি মনোনীত প্রার্থী এস.এম.সাইফ মুস্তাফিজ পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৮ শত ৮৪ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৬৭ হাজার ৬শত ২৪ ভোট। 

বিজয়ীরা হলেন- পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনে জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

‎অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শামসুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৬৬৩ ভোট। এছাড়া এ আসনে ইসলামী আনন্দোলনের আব্দুল গণি ও মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রাথী তাজুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

‎পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী একেএম সেলিম রেজা হাবিব ২ লাখ ১৩ হাজার ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াত ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের অধ্যাপক কেএম হেসাব ৭৫ হাজার ৯০৪ ভোট পান। হাতপাখা মাওলানা কাশেমী ৫ হাজার ৮৩২ ভোট পান।

‎পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াত প্রার্থী আলী আছগার বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কৃষকদলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন(ধানের শীষ) ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট।

‎পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল পাবনা জেলা জামায়াতের আমির মো. আবু তালেব মন্ডল (দাঁড়িপাল্লা) বিজয়ী হয়েছে। তিনি পেয়েছেন, ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব পেয়েছেন, ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।

‎পাবনা-৫ (পাবনা সদর) আসনে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ১৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৮৬ ভোট পেয়েছেন।

মেহেরপুর-১ আসনে মোট ১২৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী তাজউদ্দীন খান ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট। এ আসনে বিজয়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬০৫ ভোটে। ভোট গণনা শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে এ ফল ঘোষণা করা হয়।

মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে মোট ৯০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ আসনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল হুদা ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট। দু’জনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮ হাজার ৪৭৯।

কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনে বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীকে রেজা আহমেদ ওরফে বাচ্চু মোল্লা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা বেলাল উদ্দীন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৫ হাজার ভোট।

রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা এর আগেও বিএনপির থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার পিতা প্রয়াত আহসানুল হক পচা মোল্লা ও এ আসনের একাধিকবার নির্বাচিত এমপি এবং বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে প্রায় ৪৬ হাজার ৫৩৪ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিএনপির রাগীব রউফ চৌধুরীকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল গফুর। 

দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত এ সংসদীয় আসনের মোট ১৭০ টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রতীক রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮২ ভোট। আব্দুল গফুর এর আগে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সাবেক নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।  

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আলোচিত প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মুফতি আমির হামজা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে প্রায় ৫০ হাজার ৯২৬ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এ আসনে ১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৬ টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আমির হামজা ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন সরকার ১ লাখ ১৯ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়েছেন।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৪২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৭ হাজার ২৬৯ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৬৯ জন।

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াতে ইসলামীর মো. আফজাল হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৭ হাজার ৬৩০ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ আসনে ১৫২ টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী তার প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ১ লাখ ৪৬ হাজার ২০৪। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৪ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১১ হাজার ১৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের শরীফুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৪৮ ভোট।এই আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৬ হাজার ৩৩৭ জন। ভোটগ্রহণের হার ছিল প্রায় ৭৪ শতাংশ। পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ৭৪১ ভোট, ধানের শীষ পেয়েছে ৮১১ ভোট এবং হাতপাখা প্রতীক পেয়েছে ৮৯ ভোট।

অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনেও জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার ১১১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মাহমুদ হাসান খান বাবু পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৯৯ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৮৭ হাজার ২১২ জন এবং ভোট প্রদানের হার ছিল প্রায় ৭৮ শতাংশ।

ঝিনাইদহ-১ আসনে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান এক লাখ ৭৮ হাজার ৫৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট।

ঝিনাইদহ-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জামায়াতের প্রার্থী আলী আজম মোঃ আবু বকর এক লাখ ৩১ হাজার ৮৬৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আব্দুল মজিদ পেয়েছেন এক লাখ ৫ হাজার ৬৬৪ ভোট।

ঝিনাইদহ-৩ আসনে জামায়াতের মতিয়ার রহমান এক লাখ ১৮ হাজার ৬৫৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেহেদী হাসান রণি পেয়েছেন এক লাখ ৭৬৫ ভোট।

ঝিনাইদহ-৪ আসনে জামায়াতের আবু তালিব এক লাখ ৩ হাজার ২০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ পেয়েছেন ৭৫ হাজার ২০০ ভোট। এছাড়া বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খান ৫৫ হাজার ৬৭০ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন।

যশোর-১ (শার্শা) আসনে জয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আজীজুর রহমান। ১০২ কেন্দ্রে তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪২ ভোট। ২৫ হাজার ৫৫১ ভোট বেশি পেয়েছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। এ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

যশোর-২ আসনে (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭১ হাজার ৯৯১। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২২ ভোট। তিনি বিজয়ী ফরিদের চেয়ে ২৫ হাজার ৬৬৯ ভোট কম পেয়েছেন। এ আসনে ৮ জন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

যশোর-৩ (সদর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মোট ১৯০ কেন্দ্রে ধানের শীষ পেয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৭ ভোট। আর দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৫৯ ভোট। অর্থ্যাৎ ১৫ হাজার ১৮৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৬ জন।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর-বসুন্দিয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গোলাম রছুল বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৩৩। তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ধানের শীষ প্রতীকের মতিয়ার রহমান ফারাজীর। ফারাজী পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ১৭২ ভোট। ৪৯ হাজার ৩৬১ ভোটে হেরে গেছে ধানের শীষ। এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৭ জন।

যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে ত্রিমুখী লড়াই হয়েছে। এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী গাজী এনামুল হক বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট এক লাখ ৩২ হাজার ৮৫৮। বিএনপি থেকে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে এ আসনে নির্বাচন করা শহীদ মো. ইকবাল হোসেন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৫ হাজার ৫১৭। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি জোট থেকে মনোনয়ন পাওয়া জমিয়াতে উলামায়ে ইসলামের রশীদ আহমাদ। তার প্রাপ্ত ভোট ৫৫ হাজার ৪১৯। এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৬ জন।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোক্তার আলী। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ২৫৩ ভোট। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯৭৯ ভোট। ১২ হাজার ২৭৪ ভোট বেশি পেয়েছে দাঁড়িপাল্লা।  এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৫ জন।

মাগুরা-১ (সদর - শ্রীপুর) আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মনোয়ার হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মতিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৬ ভোট। বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নাজিরুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ১৩ হাজার ৩৩৫ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ভোট কাস্ট হয়েছে ৬৮.৪০ ভাগ। মোট ভোটার ৪ লাখ ৩০ হাজার ৭৭৫ এবং ভোট কেন্দ্র ১৫৬টি।

মাগুরা ২ (মহম্মদপুর-শালিখা-সদরের ৪টি ইউনিয়ন) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১৭ হাজার ১৮ ভোট পেয়েছেন। বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোস্তফা কামাল হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ১৬ হাজার ২২৩ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ভোট কাস্ট হয়েছে ৬৯ ভাগ। মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৬৩৪ এবং ভোট কেন্দ্র ১৪৫টি।

নড়াইল-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ৮৪ হাজার ৮১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার পেয়েছেন ৬১ হাজার ২৯৭ ভোট।অন্যদিকে নড়াইল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান বাচ্চু ১লাখ ১৮হাজার ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কলস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৪৪৫ ভোট।

বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়েছে। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির কপিল কৃষ্ণ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট।তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ১৪৭টি কেন্দ্র ছিল। তিনটি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতর থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাপ্ত ফলাফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৬ হাজার ২৭৪ ভোট। বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৫০ হাজার ৯৬ ভোট। বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতর এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল)আসনে বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট। মোংলা ও রামপাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এই ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।

 বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম বিজয়ী হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এই প্রার্থী পেয়েছেন এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোমনাথ দে ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট।এই আসনে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ১৭ হাজার ৭৪১ ভোট। মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এই ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।

খুলনা-১ আসনে বিএনপির আমির এজাজ খান, খুলনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-৩ আসনে রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আসনে আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনে মোহাম্মদ আলি আসগর লবি এবং খুলনা-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী হয়েছেন।  প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, খুলনা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমির এজাজ খান ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট।

খুলনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট।

খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ৭৮ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।

খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট।  

খুলনা-৫ আসনে আলি আসগর লবি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট।  

এছাড়া খুলনা-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পি পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট।    

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ। ১৬৯টি কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলে (পোস্টাল ভোটসহ) তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৫ ভোট। মো. ইজ্জত উল্লাহ ২৩ হাজার ৭৭৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): এই আসনে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত নেতা মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। ১৮১টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৯ ভোট। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ২২৯ ভোট। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৬ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৯২ হাজার ৮২৮টি এবং ‘না’ ভোট ৮৬ হাজার ৬১৯টি। মোট ভোট পড়েছে ৭৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালীগঞ্জ): এই আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের হাফেজ মুহা. রবিউল বাসার। ১৬৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৩৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৩৮৯ ভোট। ৭৮ হাজার ৮৪৪ ভোটের ব্যবধানে রবিউল বাসার জয়ী হয়েছেন। এদিকে বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৮১৯ ভোট।

সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): এ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম। ৯৭টি কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ড. মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪২৬ ভোট। ২১ হাজার ৪৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম।

বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসন থেকে মোট ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ২৯১ ভোট পয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ ভোট। এতে মোট ৪ হাজার ১৪৬ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ। 

বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও তালতলী) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি ভোট পয়েছেন ৮৯ হাজার ৪২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫ ভোট। এতে ৬ হাজার ৪১৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি। 

পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনে বিএনপির প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. ফিরোজ আলম পেয়েছেন ৫৮ হাজার ১৬১ ভোট।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ঢাকা দক্ষিণের সেক্রেটারি ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এক লাখ ৭৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শিষের প্রার্থী মো. সহিদুল আলম তালুকদার পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৭৬ ভোট।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী ট্রাক গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর ৯৭ হাজার ৩২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩৬১ ভোট।

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন এক লাখ ২৪ হাজার ১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী হাতপাখা মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৭০ হাজার ১২৭ ভোট।

ভোলা-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিব রহমানের গরুর গাড়ি মার্কা ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর মো নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৪ ৭৩ ভোট, ‘না’ পড়েছে ৪৪ হাজার ৭৩১ ভোট।

ভোলা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিম ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামীর মো ফজলুল করিম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭০৩ ভোট। এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পেয়েছে ৮৩ হাজার ৭০৪ ভোট, ‘না’ পেয়েছে ২৯ হাজার ১৬৬ ভোট।

ভোলা-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মোহাম্মদ নিজামুল হক পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৯১ ভোট।

ভোলা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. নুরুল ইসলাম ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩৭ ভোট।

বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২৬৩ ভোট। জহির উদ্দিন স্বপন ৫৪ হাজার ২৮৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এখানে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২০৮ এবং না ভোট পড়েছে ৭৩ হাজার ৯৮৯টি।

বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৬২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল মন্নান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৮২ ভোট। সান্টু ৬৭ হাজার ৫৪০ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এখানে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৭৮ এবং না ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ৯৬৬টি।

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জয়নুল আবেদীন পেয়েছেন ৮০ হাজার ৯৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া পেয়েছেন ৬১ হাজার ১৯২ ভোট। জয়নুল আবেদীন ১৮ হাজার ৭৩৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। এখানে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৩০৫ এবং না ভোট পড়েছে ৪০ হাজার ৬৩৬টি।

বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৯টি। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৩২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. আব্দুল জব্বার পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৬৮৪ ভোট। তিনি ৫৩ হাজার ৬৩৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। এখানে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯০০ এবং না ভোট পড়েছে ৬৪ হাজার ৫১১টি।

বরিশাল-৫ (সদর ও মহানগর) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৭৬টি। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৪৪ ভোট। সরোয়ার ৪০ হাজার ১০২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এখানে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৮৭ এবং না ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৩৯৪টি।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৩টি। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. মাহমুদুন্নবী পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯৮৮ ভোট। আবুল হোসেন খান ২৬ হাজার ২২৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এখানে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৪ এবং না ভোট পড়েছে ৪১ হাজার ৭০০টি।

ঝালকাঠি-১ আসন: জেলার রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠি-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল ৬২ হাজার ১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. ফয়জুল হক পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১২০ ভোট। ফলে ৬ হাজার ৮৪৪ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন রফিকুল ইসলাম জামাল। আসনটিতে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৯১ হাজার ২৮৬ টি। না পড়েছে ২৯ হাজার ৫৯১টি।

ঝালকাঠি-২ আসন: সদর ও নলছিটি উপজেলা নিয়ে গঠিত ঝালকাঠি-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এস. এম. নেয়ামুল করিম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট। এ আসনে ৪৩ হাজার ২৯৫ ভোটের বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেন ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো। 
পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর-জিয়ানগর-নাজিরপুর) : এই আসনে ১৬৮টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানাগেছে, পিরোজপুর-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী  দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মাসুদ সাঈদী এক লাখ ৩২ হাজার ৬৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এআসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানেরশীষ প্রতীকে নিয়ে আলমগীর হোসেন পেয়েছেন এক লাখ ৭ হাজার ১০৫ ভোট।

পিরোজপুর-২ (কাউখালী-ভান্ডারিয়া-নেছারাবাদ) : এই আসনে ১৬৭টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়াগেছে। প্রাপ্ত তথ্যে , এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর পেয়েছেন ১লাখ ৫হাজার ১৮৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বি  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামীম সাঈদী পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৮১৭ ভোট। 

পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) : এই আসনে ৮৫টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল পাওয়াগেছে। প্রাপ্ত তথ্যে , এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রুহুল আমিন দুলাল পেয়েছেন ৬৩ হাজাজর ১৩৮ ভোট ।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, চারবারের এমপি ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের ডা. রুস্তম আলী ফরাজী পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৬২৯ ভোট।

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহেল কাফি পেয়েছেন ৯২ হাজার ৭৮১ ভোট। মোট ১৪৮টির মধ্যে ১৪৮টিরই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হুমায়ুন কবির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫১৬ ভোট। মোট ১৩৮টির মধ্যে ১৩৮টি কেন্দ্রেরই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী মো. লুৎফর রহমান খান আজাদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৯০ হাজার ৭৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ওবায়দুল হক নাসির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৯ ভোট। মোট ১২২টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিন ধানের শীষ প্রতীকে ৯১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৭৪ ভোট। মোট ১১৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাহউদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আহসান হাবিব মাসুদ পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৫১৫ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৭২৮ ভোট।
মোট ১৩০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. রবিউল আওয়াল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এ কে এম আব্দুল হামিদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯০৪ ভোট। মোট ১৫৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪১ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫১ ভোট। মোট ১২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৮ (সখিপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আলমগীর রাসেল হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৭৩ ভোট। মোট ১৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩১টির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

জামালপুর-১ আসনে মোট কেন্দ্র ১২৮। সবগুলো কেন্দ্রে বিএনপির এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ১১৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৬৬১টি ভোট।

জামালপুর-২ আসনে মোট কেন্দ্র ৯২। সবগুলো কেন্দ্রে বিএনপির সুলতান মাহমুদ বাবু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৬০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. ছামিউল হক পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪৩৪ ভোট।

জামালপুর-৩ আসনে মোট কেন্দ্র ১৫৪টি। সবগুলো কেন্দ্রে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ লাখ ৭ হাজার ৪১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান আজাদী পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৩০ ভোট।

জামালপুর-৪ আসনে মোট কেন্দ্র ৮৮টি। সবগুলো কেন্দ্রে বিএনপির মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪০৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৪৭ ভোট।

জামালপুর-৫ আসনে মোট কেন্দ্র ১৬১টি। সবগুলো কেন্দ্রে বিএনপির মো. ওয়ারেছ আলী মামুন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৪৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ১টি ভোট।

শেরপুর-১: বিপুল ভোটে হাফেজ রাশেদের জয়
শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম ১ লাখ ২৭ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন。 তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৩৪২ ভোট。 হাফেজ রাশেদ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৪৯ হাজার ৪৬৯ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন。

এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৬২ হাজার ৪১৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন。 আসনটির ১৪৫টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৬১ শতাংশ。

শেরপুর-২: বিএনপির প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরীর বিজয়
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন。 তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মু. গোলাম কিবরিয়া ভিপি পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৪৫৬ ভোট。 ফাহিম চৌধুরী ১০ হাজার ১৩৭ ভোটের ব্যবধানে বিজয় ছিনিয়ে নেন।

ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া): জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এ আসনে ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল এক লাখ আট হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৯২৬ ভোট।

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা): এই আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদুল্লাহ প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে এক লাখ ৪৪ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৩৪৪ ভোট।

ময়মনসিংহ -৩ (গৌরীপুর): এই আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেইন ৭৪ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘ঘোড়া’ প্রতীকে আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫১৩ ভোট।

ময়মনসিংহ-৪ (সদর): এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৭৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে। আর এক লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর কামরুল আহসান এমরুল।

ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা): এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু এক লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। এদিকে এক লাখ ৮৭৬ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।

ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া): এখানে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) আখতার সুলতানার ফুটবল প্রতীকে পড়েছে ৫২ হাজার ৬৬৯ ভোট।

ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল): এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন ৯৮ হাজার ৫৭৯ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আসাদুজ্জামান সোহেল ৮২ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ): এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু এক লাখ সাত হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ৪৫ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন এলডিপির প্রার্থী আওরঙ্গজেব বেলাল।

ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল): এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১দলীয় জোটের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির এ কে এম আনোয়ারুল হক চাঁন পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫২ ভোট।

ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও): এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু ৭৪ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) এবি সিদ্দিকুর রহমানের ‘হাঁস’ পেয়েছে ৬৬ হাজার ৪২৪ ভোট।

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা): বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু এক লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্শেদ আলম পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট।
নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে বিএনপি থেকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ধানের শীষ) ১৫৮৩৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিশের গোলাম রব্বানী (রিকশা) পেয়েছেন ৮৭৪৮৮ ভোট। 

নেত্রকোনা ২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে বিএনপি থেকে ডাক্তার আনোয়ারুল হক (ধানের শীষ) ১৭১৩৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের এনসিপি মনোনীত (শাপলা কলি) পেয়েছেন ৬৭৩৬৭ ভোট। 

নেত্রকোনা ৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনে বিএনপির ডক্টর রফিকুল ইসলাম হিলালী (ধানের শীষ) ১১৮৪৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী স্বতন্ত্র মো. দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া দুলাল (ঘোড়া) পেয়েছেন ৬৮৯৬১ ভোট। 
নেত্রকোনা ৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনে বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর (ধানের শীষ) ১৬০৮০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯৮৪০ ভোট। 
নেত্রকোনা ৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াত ইসলামীর মাসুম মোস্তফা (দাড়িপাল্লা) ৮২১৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী  বিএনপির আবু তাহের তালুকদার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭৯৪১২ ভোট। 

ফলাফল অনুযায়ী কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মাজহারুল ইসলাম এক লাখ ২৪ হাজার ৩৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদী পেয়েছেন এক লাখ এক হাজার ১৩২ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া ও কটিয়াদী) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে জালাল উদ্দিন এক লাখ ৪৩ হাজার ৬৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর শফিকুল ইসলাম মোড়ল পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) আসনে বিএনপির এম ওসমান ফারুক এক লাখ ১২ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জেহাদ খান পেয়েছেন এক লাখ দুই হাজার ৪৭৬ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এক লাখ ৩২ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮২৯ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল হাঁস প্রতীকে ৭৯ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৫০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব ও কুলিয়ারচর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মো. শরীফুল আলম এক লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিশের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমীন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৫ ভোট।

মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮ ভোট।

মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর, হরিরামপুর, সদর আংশিক) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট।

 মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আফরোজা খানম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ সাইদনূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।

ঢাকা-১: এই আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।

ঢাকা-২:এ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫ ভোট।

ঢাকা-৩:ঢাকা-৩ আসনে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।

ঢাকা-৪:এ আসনে প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।

ঢাকা-৫:ঢাকা-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. নবী উল্লাহকে হারিয়েছেন। কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট এবং নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।

ঢাকা-৬:এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ইশরাক হোসেন ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-৭:১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ, হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-৮:ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-৯:এ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা (ফুটবল) পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।

ঢাকা-১০:ঢাকা-১০ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের তুলনায় ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন। শেখ রবিউল আলম পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট এবং জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।

ঢাকা-১১:এ আসনে ২ হাজার ৩৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট।

ঢাকা-১২:বিএনপি জোটের প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩,৭৭৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী (বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি) সাইফুল হক (কোদাল) পেয়েছেন ৩০,৯৬৩ ভোট।

ঢাকা-১৩:ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। ববি হাজ্জাজ ২ হাজার ৩২০ ভোটে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-১৪:এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।

ঢাকা-১৫:ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩,৫১৭ ভোট। শফিকুর রহমান ২১ হাজার ৬১৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-১৬:এ আসনে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

ঢাকা-১৭:বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।

ঢাকা-১৮:এনসিপির প্রার্থীকে ৩৩ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার৭১৫ ভোট। এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।

ঢাকা-১৯:এ আসনে বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

ঢাকার ২০:ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এনসিপি প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।

গাজীপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৮ হাজার ৬৮৮টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহ আলম বকশী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৩টি ভোট।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৮০টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৮৮ হাজার ৯৯১টি।

গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৬ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলী নাছের খান শাপলাকলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৫০ ভোট।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৬৭টি। আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৮৪ হাজার ৯৭৬টি।

গাজীপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৪৩ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিশের প্রার্থী মুহাম্মদ এহসানুল হক রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩৯ ভোট।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৫টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ২৬৬টি।

গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সালাহউদ্দিন আইউবি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১ হাজার ৭৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯০ হাজার ৩৯০ ভোট।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৪৩টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৮ হাজার ৯৮টি।

গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. খায়রুল হাসান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৮ হাজার ১২৩ ভোট পেয়েছেন।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪৮টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৭৮ হাজার ৭১টি।

নরসিংদী-১ (সদর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬০৬৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. ইব্রাহিম ভূঁইয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯২৯৩০ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ৫৮.৮২ শতাংশ ভোটার।

নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৫২ ভোট। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামী মো. আমজাদ হোসাইন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১৬৮ ভোট। এনসিপির গোলাম সারোয়ার (সারোয়ার তুষার) শাপলা কলিতে পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৩৬ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ৫৫ শতাংশ ভোটার।

 নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪১৫ ভোট ও তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুল ইসলাম মৃধা হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪০১ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ৬১ শতাংশ ভোটার।

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ ভোট। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৫ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ৫৩.০৬ শতাংশ ভোটার।

 নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫১২ ভোট। তার নিকটতম তাজুল ইসলাম রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৬৮২ ভোট ও মো. বদরুজ্জামান উজ্জ্বল (হাতপাখা) ৩২৫৮২ ভোট। আসনটিতে ভোট প্রয়োগ করেছেন ৪৯.০৫ শতাংশ ভোটার।

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) রূপগঞ্জ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া (দিপু) ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদন্দ্বী জামায়াতে ইসলামির আনোয়ার হোসেন মোল্লা পেয়েছেন ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। এবারই তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আড়াইহাজার আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ইলিয়াস মোল্লা পেয়েছেন ৮২ হাজার ৯৮৭ ভোট। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৫ শতাংশ। নজরুল ইসলাম আজাদ বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনিও প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। 

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) এই আসনে বিএনপির আজহারুল ইসলাম (মান্নান) ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৮ ভোট। এখানে ভোটের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। আজহারুল ইসলাম মান্নান বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। এবারই তিনি প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার একাংশ) এ আসনে ১১-দলীয় জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল আমিন ১ লাখ ৬ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন শরিক দলের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৬১৯ ভোট। আবদুল্লাহ আল আমিন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব। এবারই তিনি প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) এ আসনে বিএনপির আবুল কালাম ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত খেলাফত মজলিসের এ বি এম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৬ ভোট। ভোটের হার ছিল ৫৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। আবুল কালাম এ আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি।

রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম ১ লাখ ১ হাজার ৯২ ভোট পেয়েছেন। ধানের শীষের প্রার্থী ৫৩ হাজার ৪৪৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়াও জাকের পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস গোলাপ ফুল প্রতীকে ৮ হাজার ৮৭ ভোট ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু লাঙ্গল প্রতীকে ২ হাজার ৫৮৬ ভোট পেয়েছেন।

ফরিদপুর-১ আসনে মোট ১৯৭টি কেন্দ্রের ফলাফলের ভিত্তিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লা (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ ভোট। এ আসনে ড. ইলিয়াস মোল্লা বিজয়ী হয়েছেন।

ফরিদপুর-২ আসনে মোট ১১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৭টির ফলাফল পাওয়া গেছে। বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আকরাম আলী (রিকশা) পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩০৪ ভোট। এ আসনে শামা ওবায়েদ বিজয়ী হয়েছেন।

ফরিদপুর-৩ আসনে মোট ১৫৪টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফল পাওয়া গেছে। বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৪৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রফেসর আবদুত তাওয়াব (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৪৯ ভোট। পোস্টাল ভোট ব্যতীত প্রাপ্ত ফলাফলে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বিজয়ী হয়েছেন।

ফরিদপুর-৪ আসনে মোট ১৮৯টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৩২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সরোয়ার হোসাইন (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬২৩ ভোট। পোস্টাল ভোট ব্যতীত প্রাপ্ত ফলাফলে শহিদুল ইসলাম বাবুল বিজয়ী হয়েছেন।

গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী একাংশ) এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদুপুর বিভাগ) মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭১ হাজার ৫৭৯ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. কাবির মিয়া ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৬৪ ভোট। তিনি কারাবন্দি থেকেই নির্বাচনে অংশ নেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে এই আসনে কাবির মিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মুহাম্মদ ফারুক খানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই আসনে টানা ৬ বার সংসদ সদস্য ছিলেন মুহাম্মদ ফারুক খান।

গোপালগঞ্জ-২ (সদর ও কাশিয়ানী একাংশ) এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির তৃণমূল থেকে উঠে আসা ডা. কে এম বাবর আলী। পেশায় চিকিৎসক বাবর আলী গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান জেলা আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট ৪০ হাজার ৪৮।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট। বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জু গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেছেন। এই আসনে ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা ৮ বার সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) ইতিহাস গড়ে এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী। টুঙ্গিপাড়ার সন্তান জিলানী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট।

 তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভূমির এই আসনে ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা ৮ বার নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মাদারীপুর-১ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাইদ উবিন আহমাদ হানজালা রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী নাদিরা আক্তার মিঠু চৌধুরী পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৫২৪ ভোট।

মাদারীপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট।

মাদারীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার পেয়েছেন ৯৬ হাজার ১২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম ৮৪ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়েছেন।

শরীয়তপুর- আসনে ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট।

শরীয়তপুর- আসনে জয় লাভ করেছেন ধানের শীষ প্রতীকের শফিকুর রহমান কিরণ। বিএনপির এই প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাহমুদ হোসেন বাকাউল পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট।

শরীয়তপুর- আসনে ১ লাখ ৭ হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৮৪টি।

সুনামগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের তোফায়েল আহমদ খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩৩৪ ভোট। 

সুনামগঞ্জ-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট। অন্যদিকে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের অ্যাডভোকেট শিশির মনির পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট। পরাজয় মেনে নিয়ে নাছির চৌধুুরী অভিনন্দন জানিয়েছেন শিশির মনির।

সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপির মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে ৯৬ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন তালা প্রতীকে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৯৮৪ ভোট। 

সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম ৯৭ হাজার ৫৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শামস উদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৭৪ ভোট। 

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কলিম উদ্দিন মিলন নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুস সালাম আল মাদানি।

সিলেট-১ (সদর-সিটি কর্পোরেশন) : এই আসনে বিএনপির খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৩ ভোট।

সিলেট-২ (ওসমানীনগর ও বিশ্বনাথ) : বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনা ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট।

সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) : এ আসনে বিএনপির এম এ মালিক ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দিন রাজু পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৬৭৪ ভোট।

সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর) : বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) : এই আসনে জয় পেয়েছেন খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান। তিনি পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ওবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৭৪ ভোট।

সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) : বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী ১ লাখ ৯ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. সেলিম উদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৯ ভোট।

মৌলভীবাজার-১ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৩টি। সব কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী নাসির উদ্দীন আহমেদ মিঠু ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৪৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৭ হাজার ৬১০ ভোট পেয়েছেন।

মৌলভীবাজার-২ কুলাউড়া সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১০৩টি। সব কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মো. শওকতুল ইসলাম শকু ধানের শীষ প্রতীকে ৭৪ হাজার ৬৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সায়েদ আলী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৩ হাজার ৯৭ ভোট পেয়েছেন।

মৌলভীবাজার-৩ রাজনগর ও সদর উপজেলা সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৭৫টি। সব কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী নাসের রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৪২টি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আব্দুল মন্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৫ হাজার ৩৯৭ ভোট পেয়েছেন।

মৌলভীবাজার-৪ কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৬৩টি। সব কটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মুজিবুর রহমান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬০৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ নূরে আলম হামিদী রিকশা প্রতীকে ৪৯ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়েছেন।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ২৪৫ ভোট। 

হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ (বড় হুজুর) দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৮৫১ ভোট। 

হবিগঞ্জ-৩ (সদর, লাখাই, শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আলহাজ জি কে গউছ বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী কাজী মহসিন আহমেদ দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৫৮১ ভোট। 

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এস এম ফয়সল। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুন্নী জোটের প্রার্থী ইসলামী বক্তা মাওলানা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৮৯৬ ভোট। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী এম.এ. হান্নান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৯ হাজার ২৫৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন। পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫৬৮ভোট। জামায়াত ইসলামের আমিনুল ইসলাম ২৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়েছেন। ভোট কেন্দ্র ৮১টি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর উপজেলার ২টি ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রাথী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোট প্রার্থী জমিয়াতে উলামায়ে ইসলামের এর প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। তিনি পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। ভোট কেন্দ্র ১৫২ টি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত ইসলামী ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আতাউল্লা। তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট। ভোট কেন্দ্র ১৯৩টি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী মুশফিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত ইসলামের প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট। ভোট কেন্দ্র- ১৩১ টি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী এম.এ. মান্নান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৫ হাজার ৭৬৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস। তিনি পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৫টি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী গণ সংহতি পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী মাথাল প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী তিনি পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৫ ভোট। ভোট কেন্দ্র ৯৮টি।

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা)- এই আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাউদকান্দি উপজেলা জামায়াতের আমির মনিরুজ্জামান বাহালুল পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৮৪৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৪৬ হাজার ৫৯৫।

কুমিল্লা-২ (হোমনা- তিতাস)- এই আসনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূইয়া ৭৭ হাজার ৩৭ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১৩ হাজার ৯৯২।

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর)- এই আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দলটির কুমিল্লা উত্তর জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হাকিম সোহেল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৯ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৪৯ হাজার ৬৯২ ভোট।

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার)- এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-(এনসিপির) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট।  ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৮।

কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া)- এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মোবারক হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৭ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১০ হাজার ১৬৯। ভোট ব্যবধান ৯ হাজার ৯৩৮।

কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ)- এই আসনে ২ লাখ ১হাজার ৭০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. মনিরুল হক চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৮১ হাজার ৮৫৫।

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা)- এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৫০৯ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৪৩ হাজার ১৮১।

কুমিল্লা-৮ (বরুড়া)- এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মো. শফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭।

কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ)- এই আসনে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী পেয়েছেন  ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৬১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৫১ হাজার ৪৭।

কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই)- এই আসনে আসনে বিএনপির প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূইয়া ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইয়াসিন আরাফাত পেয়েছেন ১লাখ ২৩ হাজার ৭৩৩ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৩৯ হাজার ৯৩৪।

কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম)- এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুল হুদা পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৬৩৮ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৫৬ হাজার ৬৭০।

চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে প্রবাসে ১টি কেন্দ্রসহ মোট ১১১টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী আনম এহসানুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মুকবুল আহমেদ। তিনি পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।

চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলা এবং প্রবাসে পোস্টাল মিলিয়ে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫৬টি। এসব কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী মো. জালাল উদ্দীন বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭২ হাজার ৫০৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় প্রার্থী ছাতা প্রতীকের বিল্লাল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৭৩ ভোট।

চাঁদপুর-৩ সদর ও হাইমচর উপজেলা এবং প্রবাসে পোস্টাল মিলিয়ে মোট ভোট কেন্দ্র ১৬৬টি। এসব কেন্দ্রের প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া। তিনি  পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬৫ ভোট।

 চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনে কেন্দ্র ১১৮ এবং প্রবাসে পোস্টাল ১ মিলিয়ে মোট ১১৯টি কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রের প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য চিংড়ি মাছ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান ৭৪ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তারপরই বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশিদের প্রাপ্ত ভোট ৬৮ হাজার ২৪৪ এবং জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৬৮৬ ভোট।

চাঁদপুর-৫ হাজীপুর-শাহরাস্তি আসনের প্রবাসে ১টি পোস্টাল ভোট কেন্দ্রসহ ১৫৯টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। এতে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ১ লাখ ১০ হাজার ৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোটের এলডিপির ছাতা প্রতীকের নেয়ামুল বশির। তিনি পেয়েছেন ৭১ হাজার ৮৫০ ভোট।

ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে ১২১টি ভোটকেন্দ্রের সব কটি মিলিয়ে বিএনপি প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৭১৫ ভোট। এই আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪৯টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬০ হাজার ৪৫৮টি।

ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৮ ভোট। এখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩২টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৭২ হাজার ৫৩৩টি।

ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে ১৬১টি ভোটকেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট। এই আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩২১টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৪টি।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন এক লাখ ২৬ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ছাইফ উল্যাহ (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩৬ ভোট।

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপির জয়নুল আবদিন ফারুক ধানের শীষ প্রতীকে ৮৩ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া (শাপলা কলি) পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৪ ভোট।

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪১ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বোরহান উদ্দিন পেয়েছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৯৪১ ভোট।

নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. শাহজাহান দুই লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসহাক খন্দকার পেয়েছেন এক লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ ভোট।

নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৪৫৩ ভোট।

নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপির প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ শাপলা কলি প্রতীকে ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শাহাদাত হোসেন সেলিম। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৬ হাজার ৮১১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৯ হাজার ২৬৫ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের জাকির হোসেন পাটোয়ারী পেয়েছেন ১১ হাজার ১৫৬ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আবুল খায়ের ভুঁইয়া। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রুহুল আমিন ভুঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৮ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৭৪ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮০২ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের মো. ইব্রাহীম পেয়েছেন ৫ হাজার ৫১ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজাম। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ আর হাফিজ উল্লাহ পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট। জেএসডির তানিয়া রব ২২ হাজার ৪০ ভোট ও ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ ২১ হাজার ১০৩ ভোট পেয়েছেন।

চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের ছাইফুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৩৮ ভোট।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের নুরুল আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছের ৬২ হাজার ১৬০ ভোট।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা ধানের শীষ প্রতীকে ৭৩ হাজার ৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলাউদ্দীন সিকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৬৬২ ভোট।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ৭০৮ ভোট।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির প্রার্থী গিয়াসউদ্দীন কাদের চৌধুরী ১ লাখ ১২ হাজার ২৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ নুরী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ১৭৬ ভোট।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. এটিএম রেজাউল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭১৯ ভোট।

চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের মো. আবু নাছের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৬৪ ভোট।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের ডা. একেএম ফজলুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ১ ভোট।

চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-খুলশী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের মো. শামসুজ্জামান হেলালী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪০৭ ভোট।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিউল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৬৮১ ভোট।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির এনামুল হক এনাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের ডা. ফরিদুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ৭০৬ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম ১ লাখ ২৬ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এসএম শাহাজান মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৫১ হাজার ৪৫০ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দীন আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে পোস্টাল ভোটসহ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ দলীয় জোটের মনোনীত ছাতা প্রতীকের অধ্যাপক ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে জামায়াতের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৮১ হাজার ২৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৬১ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৩ হাজার ১৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১০৫ ভোট।

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৯০ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১৭৮টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট।

কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১২৫টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট।অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিয়াউল হক (হাতপাখা) ৮ হাজার ৭৯৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. মাহমুদুল হক (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৭৫৭ ভোট ও গণঅধিকার পরিষদ এস এম রোকনুজ্জামান খান (ট্রাক) পেয়েছেন ১৯৭ ভোট

কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৪ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১৮৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট।অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুল ইসলাম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫ হাজার ১৪৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (ফুটবল) পেয়েছেন ৯৪৭ ভোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টির জগদীশ বড়ুয়া (আনারস) পেয়েছেন ৬০২ ভোট এবং আমজনতা দলের নুরুল আবছার (প্রজাপতি) পেয়েছেন ৩৬৭ ভোট।

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৮ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১১৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নূর আহমদ আনোয়ারী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল হক (হাতপাখা) পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৮ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সাইফুদ্দিন খালেদ (সিংহ) পেয়েছেন ৩৭৯ ভোট।

বান্দরবান :১৮৭টি কেন্দ্রের সবগুলোর চূড়ান্ত গণনা শেষে সাচিং প্রু জেরী মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৮ ভোট। জাতীয় পার্টি (কাদের) মনোনীত প্রার্থী এবং দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মো. ওয়ালীউল্লাহ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৪০৫ ভোট।অপরদিকে, ১৮৭টি ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৬৮ হাজার ৮১৭টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৮৯ হাজার ৩৬৬টি।

খাগড়াছড়ি : প্রতিনিধি জানান, খাগড়াছড়ি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের ধর্মজ্যোতি চাকমাকে পরাজিত করে জয় নিশ্চিত করেন।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার ২০৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের ওয়াদুদ ভূইয়া মোট ১ লাখ ৪৮ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের ধর্মজ্যোতি চাকমা পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৭৯ ভোট।অন্যদিকে, ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৭৯ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৬২১ ভোট। ফলাফল গণনা শেষে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া।

রাঙামাটি : প্রতিনিধি জানান, ২৯৯ নম্বর পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী দীপেন দেওয়ান। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা, তিনি পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২। তবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৬৯৯ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫টি।

 

 
 


সম্পর্কিত নিউজ