{{ news.section.title }}
বিএনপির মন্ত্রী সভায় থাকছেন যারা, দেখুন তালিকা
- Author, বিএনপির মন্ত্রী সভায় থাকছেন যারা, দেখুন তালিকা
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ।ফলাফল ঘোষণা হয়েগেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি। ৪৮ ঘন্টা পার হলেই শপথ গ্রহণ করবেন নির্বাচিত ২৯৭ সাংসদ।নিরঙ্কুশ ২১২টি আসনে জয়লাভ করে সরকার ও মন্ত্রী পরিষদ গঠনের পথে বিএনপি। ভোটের ফলাফলের পর থেকেই শুরু হয়েছে মন্ত্রীর পতাকা কার গাড়িতে উঠবে, কে পাবে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
কে পাচ্ছেন কোন দায়িত্ব?
দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থাকবেন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে।আলোচনায় নাম আছে আগামীর রাষ্ট্রপতি কিংবা স্পিকার হিসেবেও।এছাড়াও মন্ত্রী সভায় থাকছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এ ছাড়া বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, জহিরউদ্দিন স্বপন, রেজা কিবরিয়া, এহসানুল হক মিলন, রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, শরীফুল আলম, দেওয়ান সালাহউদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, সেলিম ভূঁইয়া, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান আসাদ, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কিশোরগঞ্জ–৪ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৪ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, শামা ওবায়েদ, ফারজানা শারমিন পুতুল, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, আসাদুল হাবীব দুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, রকিবুল ইসলাম বকুল আলোচনায় আছেন। বিএনপির নির্বাচিত নেতাদের মধ্যে মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিতে পারেন আবদুল আউয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, মনিরুল হক চৌধুরী, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মো: ফজলুর রহমান, আসাদুল হাবিব দুলু, জহির উদ্দিন স্বপন, আরিফুল হক চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, তাহসিনা রুশদির লুনা, আফরোজা খানম রিতা, ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, মো: শরিফুল আলম, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, দীপেন দেওয়ান, শামা ওবায়েদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, মিয়া নুরুদ্দিন অপু, রকিবুল ইসলাম বকুল, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান, শেখ ফরিদ আহমেদ, ফারজানা শারমীন, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মীর হেলাল, শেখ ফরিদুল আলম, নুরুল ইসলাম নয়ন, এস এম জাহাঙ্গীর ও ইলেন ভুট্টো।
মন্ত্রিপরিষদে থাকছেন নতুন মুখ: নতুন মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হচ্ছে একাধিক নতুন মুখ। দলের নতুন নেতৃত্ব তৈরি করতে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের যুক্ত করা হবে। সম্ভাবনাময়ী এমন কয়েকজনকে মন্ত্রী পরিষদে রাখা হচ্ছে। এদের মধ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় (টেকনোক্র্যাট), চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (টেকনোক্র্যাট), যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (টেকনোক্র্যাট) হিসেবে বিবেচনায় আছে। এছাড়া স্থায়ী কমিটর সদস্য ড. এজেডএম জাহিদ হোসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনায় আছেন। অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় পেতে পারেন।
আলোচনায় আন্দোলনের শরিকরা: বওগত সময়ে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলো নিয়ে জাতীয় সরকারের ঘোষণা দিয়েছিল বিএনপি। ফলে নতুন মন্ত্রী পরিষদে থাকছে যুগপৎ আন্দোলনের একাধিক নেতা। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যারা একসঙ্গে ছিল, সরকার গঠন প্রক্রিয়াতেও তাদের অংশীদারত্ব নিশ্চিত করা হবে। অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল কাঠামোর মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনর্গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণই হবে এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এদের মধ্যে রয়েছে-সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেজা কিবরিয়াকে অর্থ মন্ত্রণালয়, এনডিএম ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর এবং টেকনোক্র্যাট কোটায় ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার আলোচনায় রয়েছে।
নতুন মন্ত্রিসভার বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক যে যাত্রা শুরু হলো, তা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। সব রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং সংবিধানের কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক সংস্কার করা হবে-এটা আমাদের লক্ষ্য ছিল।’তিনি বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই আমরা আমাদের ইশতেহার প্রণয়ন করেছি। এর মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে। এই রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল আমরা অক্ষর অক্ষরে পালন করব।’ সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা আশা করি, বিকেলের (গতকাল শুক্রবার) মধ্যে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করবে এবং তার পর থেকে ক্ষণ গণনা শুরু হবে। সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ার বিষয়টি সাংবিধানিকভাবেই হবে।’ তারেক রহমান এবার দুটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে এবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি এক–তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান। খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে তাঁর ওপর দলের গুরুদায়িত্ব বর্তায়। নিজের পরিশ্রম, মেধা দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারে দেশের মানুষের মন জয় করে বিএনপিকে নিরষ্কুুশ জয় এনে দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলে তারেক রহমান দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হবেন।