{{ news.section.title }}
এনসিপি থেকে মন্ত্রী হচ্ছে! আলোচনায় কে দেখুন
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ।ফলাফল ঘোষণা হয়েগেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিএনপি। ৪৮ ঘন্টা পার হলেই শপথ গ্রহণ করবেন নির্বাচিত ২৯৭ সাংসদ।নিরঙ্কুশ ২১২টি আসনে জয়লাভ করে সরকার ও মন্ত্রী পরিষদ গঠনের পথে বিএনপি। ভোটের ফলাফলের পর থেকেই শুরু হয়েছে মন্ত্রীর পতাকা কার গাড়িতে উঠবে, কে পাবে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান বর্তমানে মন্ত্রিসভার পরিধি ও সদস্যদের বিষয়ে নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা বা 'টেবিল ওয়ার্ক' করছেন, যেখানে প্রবীণদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বের অগ্রাধিকার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আলোচনার মাঝেই ১১ দলীয় শরীক দল এনসিপিও আলোচনায় রয়েছে বিএনপির মন্ত্রী পরিষদে যাবার বিষয়ে।দলটির পক্ষথেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে ছাত্রনেতাদের মাঝথেকে কাওকে মন্ত্রী পরিষদে নিয়ে আসার।তবে ইতিমধ্যে এনসিপি জানিয়েছে এমন কোনো প্রস্তাব পেলে তার বিষয়ে দলটির নেতিবাচক জবাব থাকতে পারে। সর্বোপরি বিষয়টি দলের উচ্চপর্যায়ে যেয়ে চুড়ান্ত হবে। এছাড়াও অনেকেই মনে করছেন দলটি জোটের সাথে যেয়ে সীদ্ধান্ত গ্রহণ করবে নাকি একক সীদ্ধান্ত গ্রহণ করবে সেটি সময় এলে জানা যাবে। ইতিমধ্যে দলটির নির্বাচিত ছয় সাংসদের মধ্যে আলোচনায় নাম রয়েছে সাবেক উপদেষ্টা নাহিস ইসলাম, দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির শীর্ষ এক নেতা জানিয়েছে দলটির পক্ষ থেকে মন্ত্রী পরিষদে যেতে পারেন দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দলটির যুগ্ম মূখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে সরকারের যাওয়ার প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত প্রস্তাব নেই। তবে আমার ধারণা, যদি প্রস্তাব আসেও সেটা দল গ্রহণ করবে না।
এছাড়াও দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব মশিউর রহমান শবিবার নিজের ফেসবুক একাউন্টে লেখেন, জোটের সিদ্ধান্ত ব্যতীত এককভাবে এনসিপি বিএনপির সাথে মন্ত্রীত্ব শেয়ার করবে না, ইনশাআল্লাহ!তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, 'লাশ আর রক্তের ওপর দিয়ে যারা ক্ষমতা গ্রহণ করবে', তাদের সাথে এনসিপি যাবে না।
নতুন মন্ত্রিসভার বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক যে যাত্রা শুরু হলো, তা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। সব রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং সংবিধানের কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক সংস্কার করা হবে - এটা আমাদের লক্ষ্য ছিল।’তিনি বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই আমরা আমাদের ইশতেহার প্রণয়ন করেছি। এর মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে। এই রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল আমরা অক্ষর অক্ষরে পালন করব।’ সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা আশা করি, বিকেলের (গতকাল শুক্রবার) মধ্যে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করবে এবং তার পর থেকে ক্ষণ গণনা শুরু হবে। সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ার বিষয়টি সাংবিধানিকভাবেই হবে।’ তারেক রহমান এবার দুটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বে এবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি এক–তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান। খালেদা জিয়ার মহাপ্রয়াণে তাঁর ওপর দলের গুরুদায়িত্ব বর্তায়। নিজের পরিশ্রম, মেধা দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারে দেশের মানুষের মন জয় করে বিএনপিকে নিরষ্কুুশ জয় এনে দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলে তারেক রহমান দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হবেন।